প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে ফলজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের কৃতি শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এমবিবিএস ডিগ্রি সফলভাবে সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় যাত্রা শুরু করেন। শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক মেধা, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীল চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরবর্তী সময়ে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অংশ হিসেবে চিকিৎসা সেবায় যুক্ত হন।
তিনি আরও বলেন, উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা ও বিশেষায়িত জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে সর্বোচ্চ নম্বর ও স্বর্ণপদকসহ এমএসসি কার্ডিওলজি ডিগ্রি অর্জন করেন। কার্ডিওলজির মতো জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এ উচ্চতর প্রশিক্ষণ হৃদরোগ নির্ণয় ও ব্যবস্থাপনায় তার দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই একাডেমিক অভিজ্ঞতা তার পেশাগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বলেন, এক এগারোর সরকার ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্মম আচরণের কারণে নিজ পরিবারের পাশে থাকতে গিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবনযাপন করেন। তবে তিনি দমে যাননি। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে থেকে তিনি আবারও দেশের মানুষের সেবায় ফিরে এসেছেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন– ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীন, অর্থোপেডিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন বিপ্লব, নাক কান গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান, নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেজবাহ উদ্দিন নোমান, হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, চর্ম ও যৌন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ফখরুজ্জামান রনি, শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ সামি আল হাসান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ইউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. আসাদুজ্জামানসহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।