বন্যায় শুধু মানুষ নয়, চিকিৎসা পেলো ১৬ জেলার পশু-পাখিও

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ বিভাগের ১৬ জেলায় গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংক্রামক রোগ ঠেকাতে টিকাদান এবং চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। গত সপ্তাহে ১৭ হাজার ৮০৫টি গবাদিপশু ও ৯৩ হাজার ৯৪৫টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা জাহেদ উর রহমান জানান,   একই সময়ে ১৯ হাজার ৯৭৯টি গবাদিপশু এবং ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৯টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম চলেছে চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে।

চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় খামারিদের জন্য ২৭ হাজার ৮২৪ বোতল ক্ষুরা রোগের টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পুনর্বাসনে ৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা মূল্যের প্রায় ২০ হাজার ৯০০ কেজি গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।

মৎস্য খাতে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতায় ময়মনসিংহের তারাকান্দায় অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স উদ্বোধন করা হয়েছে। বিভিন্ন জলাশয়ে ৪ দশমিক ৩৯ মেট্রিক টন রুইজাতীয় মাছের পোনা এবং বিল নার্সারিতে ১০ দশমিক ৮৭ মেট্রিক টন রেণুপোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের আওতায় ৮৮টি মোবাইল কোর্ট ও ১২১টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।