রাজধানীর জাপান গার্ডেন সিটির অন্ধকার কিছুটা কাটলেও বিদ্যুৎ সংকটের পুরোপুরি সমাধান হয়নি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিনগত রাত ১২টার দিকে সংযোগ চালু করা হলেও সিটির মাত্র ১৫টি ভবনে বিদ্যুৎ ফিরেছে। এখনও ১৫ নম্বর থেকে ২৩ নম্বর পর্যন্ত ৯টি ভবন রয়েছে অন্ধকারে।
এ অবস্থায় স্থায়ী সমাধান চান জাপান গার্ডেন সিটির বাসিন্দারা। তাদের দাবি, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা শুধু সিটির আওতাধীন না রেখে সরাসরি ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) নিয়ন্ত্রণে দেওয়া হোক।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাপান গার্ডেন সিটির মহাপরিচালককে লিখিতভাবে ত্রুটির কথা জানিয়েছেন ডিপিডিসির (এনওসিএস, আদাবর) নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্তি দায়িত্ব) আয়াতুল্লাহ ইমরান আলী।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘৭ জুলাই রাত ৩টা ৩১ মিনিট আপনার মালিকানাধীন নিজস্ব উপকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে ফিডারটি ট্রিপ করে। পরবর্তীতে ওই ফল্ট নিরসন এবং উপকেন্দ্রের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে আপনার আবেদনের প্রেক্ষিতে ৭ জুলাই সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ৩৩ কেভি লাইনের অস্থায়ী শাটডাউন ডিপিডিসি’র স্ক্যাডার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রদান করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে আপনার অনুরোধে উপকেন্দ্রটি পুনরায় চালু করার জন্য আলাদা দুটি সোর্স থেকে ট্রায়াল দেওয়া হলেও প্রতিবারই ফিডারটি ট্রিপ করে। এর প্রেক্ষিতে, গ্রিড নর্থ-১, ডিপিডিসির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আপনাদের ত্রুটি নিরসনে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল।’’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘‘গত ৯ জুলাই গ্রিড নর্থ-১, ডিপিডিসি কর্তৃক পরিচালিত কারিগরি টেস্টের ফলাফল মোতাবেক আপনার উপকেন্দ্রের ১১ কেভি বাস-বারের অবস্থা সন্তোষজনক পাওয়া যায়নি।
অতএব, গ্রাহক নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণের স্বার্থে উক্ত ১১ কেভি বাসের ত্রুটিপূর্ণ কাজগুলো দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। এ বিষয়ে ডিপিডিসি আপনাদের কারিগরি পরামর্শ দিতে সদা প্রস্তুত রয়েছে।’’
প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই থেকে ৯ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় অন্ধকারে ছিলেন জাপান গার্টেন সিটির বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিনভর চেষ্টা করে দিনগত রাত ১২টায় বিদ্যুৎ সংযোগ পায় মাত্র ১৫টি ভবন। বাকি ৯টি ভবন এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।