১৯৫৭ সালের ৭-৮ ফেব্রুয়ারি কাগমারী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। সম্মেলনে ‘তার বক্তব্য ও তার আসসালামু আলাইকুম’ই দেশের জনগণকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়েছিল।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।
তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ইতিহাসে যার যেটুকু ভূমিকা, তা স্বীকার না করলে একদিন ইতিহাসই মুখ ফিরিয়ে নেবে। ১৯৫৭ সালে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর আহ্বানে ও নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন ছিল উপমহাদেশ, তথা তৎকালীন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্ট।
ন্যাপের দুই শীর্ষ নেতা বলেন, ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীকার আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করতে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছিল।