‘চেতনার নামে প্রজন্মের মধ্যে বিভক্তি রাষ্ট্রের জন্য শুভ নয়’

‘এক পক্ষ তুমি কে, আমি কে-বাঙালি, বাঙালি’, অন্যপক্ষ ‘তুমি কে, আমি কে-রাজাকার, রাজাকার’ বলে যখন স্লোগান দিচ্ছে তখন সমগ্র জাতি গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠিত— বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া। তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষের নামে  প্রজন্মের মধ্যে বিভক্তি রাষ্ট্রের জন্য শুভ নয়।

সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই বিভক্তিকে উসকে দিয়ে আসলে দেশকে কোথায় নিয়ে চাচ্ছেন? আসলে কি এই বিভক্তির মধ্য দিয়ে সরকারপ্রধান দেশরে সকল লুটেরা, দুর্নীতিবাজ আর দেশবিরোধেদের আড়াল করতে চাচ্ছেন। এই ইস্যু কি সরকার, দেশ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ বয়ে আনবে?

‘সরকারপন্থি বুদ্ধিজীবী ও সরকার সমর্থক বিজ্ঞজনদের কাছে প্রশ্ন রাখেন যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসেই সমস্যা সমাধান করা যেতো— সেটা না করে একটি অপ্রত্যাশিত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আজকের প্রজন্মকে দুইটা ধারায় বিভক্ত করে দেওয়া হলো। এটা জাতির জন্য ভালো কিছু বহন করে নিয়ে আসবে কি? নাকি সমগ্র জাতিকে সংঘাত-সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিয়ে দেশটাকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে যারা ষড়যন্ত্র করছেন তাদের পালে হাওয়া দেওয়া হচ্ছে।’