দেশের বিভিন্ন ক্লাবকে নিয়ে আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ ইন্টার ক্লাব স্পোর্টস ফেস্ট ‘উল্লাস’-এর দ্বিতীয় আসর। গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই ক্রীড়া উৎসবে অংশ নেবে ২১টি ক্লাবের প্রায় ১ হাজার ক্রীড়াবিদ। সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরাটন ঢাকা বানানীর ১৪তম তলার এরিয়াল হলে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
আয়োজকরা জানান, এবার মোট ১৪টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হলো, ১০০ বল ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, দাবা, ফুটবল (৭-এ-সাইড), গলফ, ৮ বল পুল, প্যাডেল বল, সাঁতার, টেবিল টেনিস, টেনিস, কুইজ, আর্ম রেসলিং ও ম্যারাথন।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ক্লাবগুলোর মধ্যে রয়েছে অল কমিউনিটি ক্লাব লিমিটেড, গুলশান নর্থ ক্লাব লিমিটেড, বাঘা ক্লাব, আইবিএ অ্যালামনাই ক্লাব লিমিটেড, বানানী ক্লাব লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল রিক্রিয়েশন ক্লাব লিমিটেড, বারিধারা কসমোপলিটন ক্লাব, কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব, বাংলাদেশ চায়না ক্লাব লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব, ক্যাডেট কলেজ ক্লাব, নেদারল্যান্ডস রিক্রিয়েশন সেন্টার (ডাচ ক্লাব, ঢাকা), ক্লাব নটরডেমিয়ানস বাংলাদেশ লিমিটেড, নর্ডিক ক্লাব, ক্লাব শাহীন লিমিটেড, সেইন্টস ক্লাব লিমিটেড, ঢাকা বোট ক্লাব লিমিটেড, উত্তরা ক্লাব লিমিটেড, ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ ক্লাব এবং গুলশান ক্লাব লিমিটেড।
সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তমাল), সেক্রেটারি জেনারেল ও ‘উল্লাস ২০২৬’ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ও আয়োজক কমিটির সদস্য ইফফাত আমবারিন (জয়া) এবং ভাইস চেয়ারম্যান আমীর আলী মোস্তফা।
এ ছাড়া ‘উল্লাস ২০২৬’ আয়োজক কমিটির স্পোর্টস কো-অর্ডিনেটর ফুয়াদ বিন সাজ্জাদ এবং প্রেস, মিডিয়া ও মার্কেটিং কো-অর্ডিনেটর অজয় কুমার কুন্ডুও সভায় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোর চিফ কো-অর্ডিনেটর, অফিস কো-অর্ডিনেটর এবং ‘উল্লাস’ স্পোর্টস ফেস্টের কনভেনর ও কো-কনভেনররাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তমাল) খেলাধুলার প্রসার এবং ‘উল্লাস’ ২০২৬ সফল আয়োজনের জন্য অংশগ্রহণকারী সব ক্লাব ও ক্রীড়াবিদদের সহযোগিতা, অঙ্গীকার ও সমর্থনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বলেন, এই ব্যতিক্রমী ক্রীড়া উৎসব অংশগ্রহণকারী ও ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য আনন্দময়, প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।