অ্যাথলেটদের খোঁজ খবর রাখার বিষয়ে বেশ কিছু নীতিমালা রয়েছে অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির। সেখানে বলা আছে, অ্যাথলেটরা কখন, কোথায় থাকবেন সেটা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। এছাড়া কোথায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, এমনকি কোথায় থাকছেন সেটিও কর্তৃপক্ষকে জানানোর নিয়ম। ১২ মাসে তিনবার এসব তথ্য জানাতে ব্যর্থ হলে তিনি আইন ভঙ্গ করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হয়। কোলম্যানও তিনবার নিজের অবস্থান জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
যদিও কোলম্যান বলছেন ভিন্ন কথা, ‘আমি সে সময় বড় দিনের শপিংয়ে ঘর থেকে মাত্র ৫ মিনিট দূরে ছিলাম। কিন্তু যিনি পরীক্ষা করবেন, তিনি আমার সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগের কোনও চেষ্টাই করেননি।’
নিষেধাজ্ঞার ফলে এখন কোনও ধরনের প্রতিযোগিতা ও সংশ্লিষ্ট কাজে নিজেকে জড়াতে পারবেন না কোলম্যান। এখন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেতে হবে। তেমনটি হলে পরের বছর টোকিও অলিম্পিকে খেলা থেকে বঞ্চিত হবেন কোলম্যান।