ভালোবাসার ‘অত্যাচার’ উপভোগ করেন সাকিব

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে কম শিরোনাম হননি সাকিব আল হাসান। তাই বলে ভক্ত-সমর্থক কমেনি। বরং দিনে দিনে তার ভালোবাসার মানুষের তালিকা লম্বা হয়েছে। অনেক সময় ভক্তদের অদ্ভুত আবদারে তার মেজাজ হারানোর উদাহরণও আছে। ভালোবাসার অবদার মেটাতে নিশ্চয় অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়? সাকিবের সোজা উত্তর, ভালোবাসার অত্যাচার বরং উপভোগই করেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে ভক্ত-সমর্থকদের ভালোবাসা কখনও কখনও ‘অত্যাচার’ হয়ে দাঁড়ায় কিনা, এমন প্রশ্নে বাঁহাতি অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আমি পুরোটাই উপভোগ করি। আমার কাছে কখনোই এটাকে অত্যাচার মনে হয়নি। আমার মনে হয় না এটা হওয়ারও কোনও চান্স আছে। আমি প্রতিটি সেকেন্ডে প্রতিটি মুহূর্ত এটা উপভোগ করি।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার ছিলেন না। তরুণদের ওপর ভর করে, বিশেষ করে আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহানের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে। অভিজ্ঞদের সঙ্গে তারুণ্যের মিশ্রণে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

তরুণ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি সাকিব। তবে কার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা দেখেন, এই প্রশ্নে নির্দিষ্ট কাউকে সামনে আনেননি, ‘সবাই অনেক প্রতিভাবান। সবার মধ্যেই সম্ভাবনা আছে অনেক ভালো করার। আমি দুই-একজনের নাম নিতে চাই না। যারা দলে সুযোগ পেয়েছে, তারা ডিজার্ভ করে বলেই সুযোগ পেয়েছে। প্রতিভাবান বলেই তারা দলে আসছে। সবারই সম্ভাবনা আছে অনেক ভালো কিছু করার।’

তরুণদের বরং নিজেদের চেয়ে পরিপক্ক মনে করেন এই অলরাউন্ডার, ‘জুনিয়রদের বয়স কম হলেও ওরা অনেক বেশি পরিপক্ক, এটলিস্ট আমাদের চেয়ে পরিপক্ক। বিপিএল খেলার কারণে অনেক প্রেসার নিয়ে অভ্যস্ত। এই কারণে যখন ওরা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামে, ওই প্রেসার নিয়ে অভ্যস্ত থাকে। ওরা যখন আসে, তখন ওরা জানে কী কী পরিস্থিতির সামনে ওদের পড়তে হবে।’