হেরে যাওয়া ম্যাচে যেভাবে ইম্প্যাক্ট রেখেছিলেন রিশাদ

পিএসএলে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে তিন ম্যাচে সাইড লাইনে ছিলেন রিশাদ হোসেন। রবিবার বাংলাদেশের লেগস্পিন তারকা অবশেষে করাচি কিংসের বিপক্ষে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। বল হাতে শুরুটা খারাপও করেননি তিনি। 

রিশাদ বল করতে আসেন সপ্তম ওভারে। প্রথম বলে ২ রানের পর দ্বিতীয় বলে জেমস ভিন্সের কাছে হজম করেন বাউন্ডারি। তৃতীয় বল ডট দিয়ে চতুর্থ বলেই ভিন্সকে রাজার ক্যাচ বানান তিনি। ভিন্স ১২ বলে ১৩ রানে আউট হয়েছেন। পরের দুই বলে এক রানের পাশাপাশি একটি ডট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টায় ভূমিকা রেখেছিলেন। 

নবম ওভারে অবশ্য খরুচে হয়ে পড়েন রিশাদ। দিয়েছেন মোট ১৩ রান! শুরুর দুই বলে হজম করেন একটি চার ও একটি ছক্কা। তার পর অবশ্য বাকি তিন বলে দেন সিঙ্গেল। শেষ বলে দিয়েছেন ডট। ১১তম ওভারে আবার ইকোনমিক্যাল ছিলেন রিশাদ। করাচির যখন শেষ ৫ ওভারে ৬৬ রান প্রয়োজন, তখন সেই ওভারে একটি বাউন্ডারি হজম করলেও বাকি বলে সিঙ্গেল দিয়ে ৮ রান খরচ করে ম্যাচে লাহোরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সাহায্য করেছিলেন।  কিন্তু সব আশা শেষ হয়ে যায় হারিস রউফের ব্যয়বহুল ১৪তম ওভারে। সেই ওভারেই ২০ রান দেওয়ায় ম্যাচটা ঝুঁকে পায় করাচির দিকে।  

রিশাদ তিন ওভারে ১ উইকেটের বিনিময়ে রান দিয়েছেন ২৮! ব্যাট হাতে অবশ্য শেষ দিকে নামায় এক বলই খেলতে পেরেছেন। রান পাননি কোনও। 

বৃষ্টির কারণে ম্যাচের পরিধি কমে আসে ১৫ ওভারে। তার দল লাহোর শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬০ রান সংগ্রহ করে। মাঝে বৃষ্টির কারণে পরে বৃষ্টি আইনে করাচির সামনে লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ১৬৮ রান। সেই রান ইরফান খানের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৩ বল আগেই ৬ উইকেট হারিয়ে তাড়া করে করাচি কিংস। ম্যাচসেরা ইরফান ২১ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।  

৪ উইকেটের জয়ে ৮ ম্যাচে পঞ্চম জয়ে তিনে উঠেছে করাচি। তাদের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। আর ৯ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চারে নেমেছে লাহোর।