টানা দু’বার বিসিবির সঙ্গে বৈঠকে বসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। নাসির হোসেনের পর সাইফ হাসান মঙ্গলবার প্রতিনিধি হয়ে কথা বলেছেন। বিসিবির সঙ্গে তাদের ‘ফলপ্রসু’ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
দুপুরে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে বৈঠকের পর মিরপুরে সাংবাদিকদের সাইফ বলেন, ‘বিপিএল যেহেতু হচ্ছে না, অবশ্যই আমাদের একটা ক্ষতি হচ্ছে। তবে বিসিবি আমাদের জন্য খুব ভালো একটা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রেখেছে, যেখানে শুধু বিপিএলের খেলোয়াড় নন; বরং আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের যত খেলোয়াড় আছেন, সবার জন্যই তা উপকারী হবে।’
বিপিএল না হলে ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে দেওয়া হবে, তা বিসিবির পক্ষ থেকেই বলা হবে বলে জানিয়েছেন সাইফ।
ক্রিকেটারদের আয়ের সবচেয়ে বড় দুই উৎস ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও বিপিএল। তবে দুটি আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে। প্রতি মৌসুমে চারটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বিসিবি—চার দিনের জাতীয় ক্রিকেট লিগ ও টি–টোয়েন্টি সংস্করণ এবং চার দিনের বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ ও এক দিনের সংস্করণ; এই চারটি টুর্নামেন্টেই ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে। বিসিবিও ক্রিকেটারদের এই চার টুর্নামেন্টের ম্যাচ ফি প্রায় দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বোর্ড সভায় অনুমোদনের পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। বিপিএলের বিকল্প হিসেবে আলাদা কোনও টুর্নামেন্ট যে আয়োজন হচ্ছে না, তা নিশ্চিত করেছেন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন।
সাংবাদিকদের মিঠুন বলেছেন, ‘বিপিএল না হওয়ায় বিকল্প কিছু করে খেলোয়াড়দের সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা এখন নেই এবং সেটি হবেও না। বিপিএলের পরিবর্তে অন্য কিছু হচ্ছে না।’
নতুন ব্যবস্থায় বৃহৎ পরিসরে ক্রিকেটাররা উপকৃত হবেন বলে বিশ্বাস মিঠুনের, ‘আমরা শুধু ৫০-৭০ জন খেলোয়াড়ের কথা চিন্তা না করে কীভাবে ১৫০-২০০ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে উপকৃত হতে পারে এবং বিষয়টি যেন টেকসই হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বছরের সাময়িক সুবিধার কথা চিন্তা না করে আমরা ভবিষ্যতের কথা ভেবেছি যেন আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের খেলোয়াড়েরা আরও বেশি উপকৃত হতে পারে।’