জার্মানি দলে খেলোয়াড় না পাঠানোর হুমকি বায়ার্নের

টের স্টেগেন ও মানুয়েল নয়ার ইস্যুতে উত্তাপ জার্মানিবার্সেলোনায় তাকে ডাকা হয় ‘বাজপাখি’। ক্লাব ফুটবলে গোলবারের নিচে ধারাবাহিক পারফর্ম করলেও জাতীয় দল জার্মানিতে বেঞ্চ গরম করতে হয় মার্ক-অ্যান্ড্রে টের স্টেগেনকে। জার্মানির ‘নাম্বার ওয়ান’ এখনও যে মানুয়েল নয়ার। যদিও গোলরক্ষকের জায়গায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে জার্মানিতে। এই ইঙ্গিতে জাতীয় দলকে রীতিমত হুমকি দিয়ে রাখলো বায়ার্ন মিউনিখ।

নয়ার বায়ার্নের এক নম্বর গোলরক্ষক। অন্যদিকে টের স্টেগেন বার্সেলোনার নাম্বার ওয়ান। স্বাভাবিকভাবেই নিজের দলের সেরা গোলরক্ষকের বেঞ্চ গরম করে দেখতে চাইবে না বায়ার্ন। জার্মানির সবচেয়ে সফল ক্লাবটি থেকেই জাতীয় দলে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় থাকে। তাদের গোলরক্ষক নয়ারকে সরিয়ে যদি টের স্টেগেনকে ‘এক নম্বর’ পজিশন দেওয়া হয়, তাহলে জাতীয় দলে খেলোয়াড় না পাঠানোর হুমকি দিয়েছে ব্যাভারিয়ানরা।

এই মুহূর্তে নয়ার শুধু জার্মানির এক নম্বর গোলরক্ষকই নন, অধিনায়কও। এরপরও অনেক জার্মান ভক্তের সঙ্গে ফুটবল বিশ্লেষকদের বিস্ময়, বার্সেলোনার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও কেন জাতীয় দলে বেঞ্চে থাকতে হচ্ছে টের স্টেগেনকে। গত আন্তর্জাতিক ফুটবল বিরতিতে ইউরো বাছাইয়ে নেমেছিল জার্মানরা। ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দুটিতে বেঞ্চে থাকতে হয়েছিল বার্সেলোনা গোলরক্ষককে।

তিনি সফল হলেও নয়ারকেই জার্মানির এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে মানে বায়ার্ন মিউনিখ। আর তাকে সরিয়ে যদি টের স্টেগেনকে আনা হয়, তাহলে জাতীয় দলে আর কোনও খেলোয়াড় পাঠাবে না জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। ক্লাবটির সভাপতি উলি হোয়েনেসের হুমকি, ‘আমরা (গোলরক্ষক) পরিবর্তন মেনে নেবো না। আর যদি সেটা ঘটে, তাহলে আর কোনও বায়ার্ন খেলোয়াড়কে আমরা জাতীয় দলে পাঠাবো না।’

জার্মান জাতীয় দলের জেনারেল ম্যানেজার অলিভিয়ের বায়ারহফ অবশ্য হোয়েনেসের হুমকিতে মোটেও চিন্তিত নন। তার বক্তব্য, ‘প্রত্যেকটি ক্লাব ফিফার কাঠামোর মধ্যে, তাদের খেলোয়াড়রাও এর বাইরের নন।’

বায়ার্নের ক্ষোভের কারণ শুধু নয়ার ইস্যু নয়। এর আগে এ বছরের শুরুতে জার্মান কোচ ইওয়াখিম ল্যোভ তার দল থেকে বাদ দিয়েছিলেন বায়ার্নের তিন খেলোয়াড় জেরোম বোয়াটেং, থোমাস ম্যুলার ও ম্যাট হামেলসকে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডে ফেরার আগে সে সময় হামেলস বায়ার্নেই খেলতেন। মার্কা