চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘ই’ গ্রুপে দুই ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে ক্লপকে মুগ্ধ করেন মিনামিনো। অ্যানফিল্ডে প্রথম ম্যাচে বল পাস ও দখল থেকে শুরু করে লম্বা শট খেলে নজর কাড়েন ২৪ বছর বয়সী জাপানি ফরোয়ার্ড। ৫৬ মিনিটে হোয়াংয়ের থ্রো থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে ডাগআউটে থাকা ক্লপকে অবাক করে দেন। তখনই মিনামিনোকে মার্কা মেরে রাখেন লিভারপুল কোচ।
অস্ট্রিয়ান চ্যাম্পিয়নরা দুটি ম্যাচই লিভারপুলের কাছে হারে এবং গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থেকে বিদায় নেয়। কিন্তু মিনামিনোকে নিয়ে টানাটানি পড়ে যায় লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মধ্যে। অবশেষে লিগ প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে ৭.২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তাকে কিনে নিলো ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।
উচ্ছ্বসিত লিভারপুলের জার্মান কোচ, ‘এটা দারুণ খবর, চমৎকার চুক্তি। আমরা সত্যিই অনেক খুশি। সাম্প্রতিক সময়ে খুব কাছ থেকে তাকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন আমাদের সমর্থকেরা। তাই তার সামর্থ্য ও গুণ নিয়ে আমি আর নতুন করে কিছু বলতে চাই না, সবাই তা জানে।’ মিনামিনোর প্রশংসা করলেন ক্লপ, ‘তাকুমি খুব চটপটে এবং অনেক চতুর খেলোয়াড়। সে তার মতো করে জায়গা খুঁজে পায়। বল পায়ে সে সাহসী, এমনকি বল ছাড়াও। দলের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় সে।’
আগামী ১ জানুয়ারি দলবদলের বাজার খুলতেই আনুষ্ঠানিকভাবে লিভারপুলে যোগ দেবেন মিনামিনো। তাঁর অভিষেক হতে পারে চার দিন পর এফএ কাপে এভারটনের বিপক্ষে। লিভারপুলের জার্সি গায়ে দিতে তর সইছে না লিগের এই মৌসুমে ১৪ ম্যাচে ৫ গোল করা ফরোয়ার্ড। বুধবার লিভারপুলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বললেন, ‘এটা ছিল অনেক দিনের স্বপ্ন। লিভারপুলের খেলোয়াড় হয়ে স্বপ্ন সত্যি হলো। আমি রোমাঞ্চিত।’