বিবর্ণ আক্রণভাগে নতুন আশার আলো। ক্ষীপ্রগতি আর তীব্রতা দিয়ে চেলসিকে তারা স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় আবারও শ্রেষ্ঠত্বের পতাকা ওড়ানোর। এবারের মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদকে, যাদের রক্ষণ ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাদের বিপক্ষে দুই লেগেই গোল পাওয়ায় প্রমাণ মেলে চেলসির আক্রমণভাগের শক্তির। যে আক্রমণভাগের তিন উজ্জ্বল মুখ- হাকিম জিয়েচ, টিমো ভেরনার ও কাই হাভের্টজ।
আর এই আক্রমণভাগ গড়তে চেলসিকে খরচ করতে হয়েছে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিমাণটা ১ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকার মতো। ভুল জায়গায় যে টাকা ঢালেনি, তার প্রমাণ তারা দিলেন বড় মঞ্চে। এই ত্রয়ীর দারুণ পারফরম্যান্সেই সাত বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে চেলসি। ঘরের মাঠে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে আতলেতিকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৩-০ অগ্রগামিতায় শেষ আট নিশ্চিত করেছে ব্লুরা। মাদ্রিদের প্রথম লেগ ১-০ গোলে জিতেছিল তারা।
আতলেতিকোর শক্ত রক্ষণের সামনে সব বড় দলকেই কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়। অথচ চেলসি দুই লেগেই পেয়েছে গোল। হার্ভেটস থেকে ভেরনার হয়ে জিয়েচ, তারপর গোল। স্টামফোর্ড ব্রিজে দারুণ সমন্বয়ে গোল দেখেছে ফুটবলপ্রেমীরা। জিয়েচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়া চেলসি একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে। অবশ্য ৮১ মিনিটে স্তেফান সাভিচ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে ম্যাচ থেকে আগেই ছিটকে যায় আতলেতিকো।
চেলসির সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। ঘরের মাঠে জার্মান ক্লাবটি ২-১ গোলে হারিয়েছে লাৎসিওকে। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-২ অগ্রগামিতায় টানা দ্বিতীয় শিরোপা জেতার মিশনে আরেকটু এগিয়ে গেল বাভারিয়ানরা। গোল পেয়েছেন রবার্ত লেভানদোভস্কি ও এরিক মাক্সিম চুপো-মোটিং।