হাভিয়ের কাবরেরার দলে তিন গোলকিপার- আশরাফুল ইসলাম রানা, আনিসুর রহমান জিকো ও মোহাম্মদ নাইম। তাদের ওপরই নির্ভর করছে তেকাঠি কতটুকু অটুট থাকে। বিশেষ করে ‘নাম্বার ওয়ান’ গোলকিপার জিকো বড় ভরসার নাম। শক্তির দিক দিয়ে ফিফা প্রীতি ম্যাচে ইন্দোনেশিয়া ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে তিনটি দেশই বেশ এগিয়ে। ম্যাচে বাংলাদেশের তেকাঠির সামনে আক্রমণের ঝড় যে বেশি আসবে তা সহজেই অনুমেয়। মাঠে চার প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তেকাঠির নিচে দায়িত্বটা যে বেশি, তা বুঝতে পারছেন বসুন্ধরা কিংসের অভিজ্ঞ গোলকিপার জিকো।
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি আাগামীকাল (মঙ্গলবার)। এর আগে অনুশীলনের ফাঁকে নিজেদের দায়িত্ববোধ নিয়ে সচেতন থাকার কথা শোনালেন জিকো, ‘সামনে চারটি ম্যাচ আছে। প্রীতি ম্যাচে ইন্দোনেশিয়া ও এশিয়ান কাপে বাকি তিনটি দেশের বিপক্ষে। ম্যাচ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। বড় দলের বিপক্ষে সবসময় গোলকিপারদের বেশি দায়িত্ব পালন করতে হয়। ডিফেন্ডারদেরও তাই। আমাদের জায়গা থেকে শতভাগ দিতে পারলে আশা করছি ভালো কিছু হবে।’
দলের সঙ্গে রয়েছেন গোলকিপিং কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য। গোলকিপারদের জন্য যে চারটি ম্যাচ চ্যালেঞ্জিং হবে তিনিও সেই কথা মনে করিয়ে দিলেন, ‘গোলকিপাররা কঠোর অনুশীলন করেছে। প্রতিটি সেশন ভালো ছিল। আমাদের চার প্রতিপক্ষ ভালো। গোলকিপারদের জন্য চ্যালেঞ্জ থাকবে। তাদের জন্য ভালো করার সুযোগ আছে। নিজেদের সেরা খেলা দেখানোর সুযোগ। তারা সেরাটা দিতে পারবে বলে বিশ্বাস আছে।’
বান্দুংয়ে দলের সঙ্গে অনুশীলন করেননি মিডফিল্ডার সোহেল রানা। আগের দিন অনুশীলনে ব্যথা পাওয়ায় বিশ্রামে থাকতে হয়েছে। তবে বড় রকমের চোট না হওয়ায় টিম ম্যানেজমেন্ট চিন্তিত নয়।