দুই গোল করে হার এড়ালেও বড় ধাক্কা খেলো আর্সেনাল

আগের টানা ২ ম্যাচ দুই গোলে লিড নিয়েও ড্র করেছিল আর্সেনাল। শুক্রবার তারাই দুই গোলে দুইবার পিছিয়ে পড়েও একটি পয়েন্ট উদ্ধার করলো। সাউদাম্পটনের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে তারা। তবে টানা তিন ম্যাচ পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শিরোপার দৌড়ে বড় হোঁচট খেলো গানাররা।

৫ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থেকে বুধবার পরের ম্যাচে দুইয়ে থাকা ম্যানসিটির মুখোমুখি হবে আর্সেনাল। কিন্তু দুই ম্যাচ কম খেলে সিটিজেনরাই শিরোপার জন্য এখন ফেভারিট। ৩২ ম্যাচে গানারদের পয়েন্ট ৭৫। ম্যানসিটি ৩০ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী।

মার্টিন ওডেগার্ড ও বুকায়ো সাকার গোলে পয়েন্ট উদ্ধার করেছিল আর্সেনাল। ইনজুরি টাইমে লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ড ক্রসবারে আঘাত না করলে ফল ভিন্ন হতো।

এমিরেটস স্টেডিয়ামে ২৮ সেকেন্ডের মধ্যে কিপার রামসডেল গোল উপহার দেন কার্লোস আলকারেজকে। থিও ওয়ালকট তার সাবেক ক্লাবের জালে বল পাঠিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যে সাউদাম্পটনের ব্যবধান ২-০ করেন।

২০ মিনিট পর গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি আর্সেনালের হয়ে গোল শোধ দেন। স্টপেজ টাইমে বেন হোয়াইটের হেড গোললাইন থেকে বিপদমুক্ত না হলে সমতা ফেরাতে পারতো স্বাগতিকরা।

সাত লিগ ম্যাচে প্রথম জয়ের হাতছানি নিয়ে বিরতির পর মাঠে ফেরে সাউদাম্পটন। ৬৬ মিনিটে দুজে কালেতা কারের গোলে ফের দুই গোলে এগিয়ে যায় তারা। হার নিশ্চিত জেনে আর্সেনাল দর্শকেরা যখন স্টেডিয়াম ছাড়ছিল, ঠিক তখন ঘুরে দাঁড়ায় দল। ৮৮ মিনিটে বাঁকানো শটে গাভিন বাজুনুকে পরাস্ত করেন ওডেগার্ড। দুই মিনিট পর সাকার গোলে গর্জে ওঠে স্টেডিয়াম।

একমাস আগের স্মৃতি ফিরে আসছিল আর্সেনাল দর্শকের মনে, যেবার ব্রাইটনের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়ায় তারা।

আট মিনিট যোগ হলে আশা জাগে। ট্রসার্ড ক্রসবারে বল মেরে হতাশ করেন। রেইস নেলসনের শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। আঁটসাঁট রক্ষণের মধ্যে পেনাল্টি এরিয়া থেকে নেওয়া জেসুসের শট প্রত্যাখ্যাত হলে নাটকীয় কিছু হয়নি।