প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ শেষ হয়েছে আগেই। এরই মধ্যে নতুন মৌসুম শুরু নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আসছে মৌসুমে বিদেশি খেলোয়াড় সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে নিবন্ধন করার জন্য ৬ জন ও একাদশে ৪ জন রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দরা বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে এর বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানাতে কিছু দাবিসহ স্মারকলিপি দিয়েছেন।
এএফসি কাপ কিংবা চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার সর্বোচ্চ ৬ বিদেশি একাদশে খেলতে পারবে। নিবন্ধন নির্দিষ্ট নয়। সেই দিক চিন্তা করে এবার প্রিমিয়ার লিগে ৬ বিদেশি নিবন্ধন ও একাদশে আগের মতো চারজন খেলানোর চিন্তা করা হচ্ছে। কিন্তু খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি ঘরোয়া ফুটবলে চার বিদেশি নিবন্ধন ও একাদশে তিন বিদেশি খেলোনোর পক্ষে। তবে এএফসি কাপের জন্য বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধন বা খেলোনো নিয়ে তাদের কোনও আপত্তি নেই।
একসময় সুপার কাপ ফুটবল হয়েছিল স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে। আসছে মৌসুমে অন্তত একটি টুর্নামেন্ট আবারও স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে করার আবেদন করা হয়েছে।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগ ছাড়া সব খেলাই হয়ে থাকে। এই মাঠ ছাড়াও বিকল্প মাঠেও যেন খেলা হয় সেটাও বলা হয়েছে। এছাড়া সবশেষ দাবিটি ছিল বাফুফের নির্বাচনে খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি থেকে অন্তত দুটো কাউন্সিলরশিপ দেওয়া হয়।
এই প্রসঙ্গে সমিতির সভাপতি সাবেক তারকা ফুটবলার ইকবাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘সভাপতির সঙ্গে দেখা করে দাবি দাওয়া নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি, আলোচনা করেছি। সভাপতি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন সব কিছু দেখবেন। বিদেশি খেলোয়াড় কমলে দেশিদের বেশি খেলার সুযোগ থাকবে। এছাড়া আমরা কাউন্সিলরশিপও চেয়েছি।’
সভায় উপস্থিত সাবেক তারকা গোলকিপার বিপ্লব ভট্টাচার্যও আশাবাদী, ‘সভাপতির সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছেন। উনি বলেছেন বাফুফের সভাতে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।’
সভাতে গেলাম গাউস, মাসুদ রানা, ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব, জাহিদহাসান এমিলিসহ আরও অনেক সাবেক ফুটবলার উপস্থিত ছিলেন।