বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিয়ে দ্বিগুণ বেতন চাইছেন কাবরেরা!

হাভিয়ের কাবরেরার সামনে আপাতত কোনও ম্যাচ নেই। এই অবসর সময়ে প্রিমিয়ার লিগের বিভিন্ন ক্লাব ঘুরে দেখছেন স্প্যানিশ কোচ। কথা বলছেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে। আগামী বছরের মার্চে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের গ্রুপ পর্যায়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের যথাসম্ভব চাঙ্গা করে রাখতে চাইছেন।  খেলোয়াড়রা যেন সেই ম্যাচের আগে নিজেদের ফিট রাখেন, সেটাও অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে নতুন বছরে কাবরেরা বাংলাদেশ দলে থাকবেন কিনা এ নিয়ে বাফুফের সঙ্গে চলছে দর কষাকষি।

এই বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাবরেরার সঙ্গে বাফুফের চুক্তি রয়েছে। নতুন বছরের জন্য চুক্তি করে দেশে ফিরে ছুটি কাটাতে চাইছেন স্প্যানিশ কোচ। তবে নতুন চুক্তির জন্য নিজের বেতন চেয়েছেন মাসিক ১৫ হাজার ডলারের মতো! যা এখনকার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। এখন পাচ্ছেন ৮ হাজার ডলার। এছাড়া আবাসনসহ অন্য সুবিধা তো আছেই।

দুই বছর ধরে কাবরেরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রথম বছরে সফল না হলে এই বছর চিত্র ঘুরে দাঁড়ানোর। দ্বিতীয় দফায় বাংলাদেশের কোচিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে অবশ্য সফল কাবরেরা। তার অধীনে এখন পর্যন্ত ১৩টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ দল। সেখানে ৫টি জয়ের বিপরীতে ৪টি হার। এছাড়াও রয়েছে ৪টি ড্র। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ২০০৯ সালের পর সেমিফাইনাল কিংবা আফগানিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে ড্র হয়েছে। এছাড়া বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ঘরের মাঠে লেবাননের বিপক্ষে ড্রও কম সাফল্য নয়।

তাই এমন সাফল্যের পর কাবরেরাও নিজেরে চাহিদা দ্বিগুণ করে ফেলেছেন। বাফুফেও চাইছে তাকে যে করেই হোক রেখে দিতে। তবে এর আগে বেতনের বিষয়ে দর কষাকষি করে সুবিধাজনক জায়গায় এসে পৌঁছাতে চায়।

জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ এই প্রসঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনকে ইতিবাচক কথাই শুনিয়েছেন, ‘কাবরেরা নতুন করে চুক্তির জন্য বেশি বেতন চেয়েছেন। এখন আমরা নতুন চুক্তির জন্য তার সঙ্গে কথা বলছি, আলোচনা চলছে। কোচের সঙ্গে কথা বলে একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারবো বলে আশাবাদী। আমরা চাই কোচ থাকুক। তার অধীনে বাংলাদেশ ভালো করছে।’