ঘরের মাঠে ইউরো বলে অবসর ভেঙে ফিরেছিলেন টনি ক্রুস। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পর স্বপ্ন দেখছিলেন ইউরোপিয়ান ডাবলের। পাশাপাশি এটাও নিশ্চিত করেছিলেন, টুর্নামেন্টের পর সব ধরনের ফুটবলকে বিদায় বলবেন তিনি। কিন্তু ইউরোতে জার্মানির পথ চলা থেমে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালেই। ঘরের মাঠে যে স্বপ্নটা তারা দেখেছিলেন, সেটা চূর্ণ হয়ে গেছে স্পেনের কাছে ২-১ গোলের হারে। তার পরেও বিদায় বেলায় জার্মানির যথেষ্ট উন্নতি দেখছেন তিনি।
২০১৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর আর কোনও ট্রফি নেই জার্মানির। পারফরম্যান্সও আহামরি ছিল না। চলতি ইউরো নিয়ে ৩৪ বছর বয়সী ক্রুসের মূল্যায়ন অবশ্য ভিন্ন, ‘এখন আমার অনুভূতিটা হচ্ছে টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেছে। স্বপ্নটা চূর্ণ হয়ে গেছে। আমরা দলীয়ভাবে বড় লক্ষ্য অর্জন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু স্পেনের হাতে সেটা চূর্ণ হয়ে গেছে। তার পরেও আমরা গর্ব করতে পারি। কারণ জার্মানি যথেষ্ট উন্নতি করেছে। এটা ভেবে আনন্দিত, জার্মানিকে আবার আশা দেখাতে সহায়তা করেছি।’
ক্রুস মনে করেন, ভবিষ্যতে আরও বহুদূর যাবে জার্মানি। অর্জন করবে সাফল্য, ‘আমি নিশ্চিত ভবিষ্যতে এই দলটা সফল হবে। কিন্তু আজ খুবই দুঃখভারাক্রান্ত। কারণ টুর্নামেন্টে আমরা একটু লম্বা সময় থাকতে চেয়েছি।’
১২০ মিনিটের তুমুল লড়াইটা ছিল উত্তেজনাকর। হলুদ কার্ড বের হয়েছে ১৬টি। স্পেন ডিফেন্ডার দানি কারভাহাল লাল কার্ড দেখেছেন। ফলে সেমিতে খেলতে পারবেন না তিনি। জার্মান মিডফিল্ডার ক্রুসও হলুদ কার্ড দেখেছেন। ভাগ্য ভালো পেদ্রির ওপর ফাউলে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখতে হয়নি তাকে। জার্মানির শরীর নির্ভর পারফরম্যান্সের যুক্তি দেখিয়ে ক্রুস বলেছেন, ‘বলবো না এটা খুব বর্বর ম্যাচ ছিল। কিন্তু আমরা সব কিছুই এটাতে নিয়োগ করেছি। কারণ আমরা হারতে চাইনি। আমরা খুব কাছে ছিলাম।’