তুরস্কের কাছে পিছিয়ে পড়েও নেদারল্যান্ডস দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো। চমৎকার খেলেও হার মানলো তুর্কিরা। আত্মঘাতী গোলে কপাল পুড়লো তাদের। শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলে জিতে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে উঠলো ডাচরা। এর আগে সবশেষ ২০০৪ সালের সেমিফাইনালে খেলে পর্তুগালের কাছে হেরে যায়। ২০ বছর পর আবার সেরা চারে তারা। বিশ্বকাপ কিংবা ইউরো মিলে মেজর টুর্নামেন্টে ১০ বছর পর সেমিফাইনালের মুখ দেখলো নেদারল্যান্ডস। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছিল তারা।
সেমিফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপন করতে বেশ ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিল তুরস্ক। অস্ট্রিয়ার তুর্কি রাষ্ট্রদূত তো জার্মানির রাজধানীতে অবস্থিত লাখ লাখ সমর্থককে সংযত উদযাপন করার অনুরোধ করেছিলেন। প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার পর সেই লিড ৭০ মিনিট পর্যন্ত ধরে রেখে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল তারা। তারপরই হৃদয় ভাঙলো তাদের। সাত মিনিটের ব্যবধানে ডাচরা দুই গোল করে উদযাপনের প্রস্তুতিতে পানি ঢালে।
৩৫তম মিনিটে ডাচরা একটি কর্নার ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয়। আরদা গুলারের ডান পায়ের ক্রস ব্যাকপোস্টে পেয়ে দুর্দান্ত হেডে জাল কাঁপান সামেত আকাইদিন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গুলার দ্বিতীয় গোল করার খুব কাছে ছিলেন। কিন্তু ফ্রি কিক থেকে নেওয়া তার শট পোস্টে আঘাত করে। ওই গোল করতে না পারার খেসারত দ্রুত দিয়েছে তুর্কিরা।
৭০ মিনিটে ডাচ ডিফেন্ডার স্টেফান দে ভ্রিজ শক্তিশালী হেডে সমতা ফেরান। ওই গোলে নেদারল্যান্ডসের প্রাণ সঞ্চার হয়। কোডি গাকপোর চাপে পড়ে মার্ট মুলডুর আত্মঘাতী গোল করে বসেন। চলতি ইউরোতে এটি ছিল দশম আত্মঘাতী গোল।
শেষ দিকে তুরস্ক কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ডাচ ডিফেন্ডাররা চমৎকার প্রতিরোধ ও কিপার বার্ট ভারব্রুগেন দারুণ সেভে তাদের হতাশ করেন।
আগামী ১০ জুলাই ডর্টমুন্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলবে নেদারল্যান্ডস।