সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রথমার্ধে নেপালের জালে বল ঠেলতে পারেনি বাংলাদেশ। সুযোগ পেয়েও লিড নেওয়া হয়নি। তবে স্বাগতিকরা আক্রমণ কিংবা বল দখলে কিছুটা এগিয়ে থেকেও গোল পায়নি। বিরতির আগে তাই দুই দল গোলশূন্য স্কোরলাইন রেখে ড্রেসিংরুমে গেছে।
কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে বাংলাদেশের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করেছে নেপাল। আক্রমণে এগিয়ে থেকে স্বাগতিকরা চেষ্টা করেও গোল পায়নি। শামসুন্নাহার জুনিয়রকে একাদশে রেখে বাংলাদেশ খেলছে। আক্রমণের শুরুটা বাংলাদেশ করেছে।
২ মিনিটের সময় বাংলাদেশের সামনে ভালো সুযোগ আসে। নেপালের একজন খেলোয়াড় গোলকিক নিতে গিয়ে ঠিকমতো মারতে পারেননি। বক্সের বাইরে থাকা তহুরা বল পেয়ে জোরালো শট নিলে তা ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়। ফিরতি বলে তার হেড গোলকিপারের হাতে জমা হয়।
১০ মিনিটে সাবিত্রা ভান্ডারির পাসে আমিশা কার্কির ডি বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের বুলেট গতির শট ক্রসবার কাঁপালে উৎসবে মাততে পারেনি দর্শকরা। প্রতিহত হলে হতাশ হতে হয় স্বাগতিকদের।
২৫ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে গোলকিপার রুপনা চাকমা বল ঠিকমতো হাতে জমাতে পারেননি, বল পেয়ে সাবিত্রা শট নেওয়ার আগেই এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করেন। নাহলে গোল হজম করতে হতো।
৩৪ মিনিটে মারিয়া মান্দার ফ্রিকিক ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে যায়।
পরের মিনিটে গোলকিপারের ভুলে বক্সের বাইরে মনিকা পেয়ে ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে মেরে সুযোগ হাতছাড়া করেন।
বাংলাদেশের একাদশ: রুপনা চাকমা, আফঈদা খন্দকার, মাসুরা পারভীন, শিউলী আজিম, সাবিনা খাতুন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।
শামসুন্নাহার জুনিয়রকে একাদশে নিয়ে মাঠে বাংলাদেশ
একটু পরই কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে নেমেছে বাংলাদেশ। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার মিশন। হাজারো প্রতিকূল সমর্থকের বিপক্ষে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। পিটার বাটলার তাই ফাইনালে পূর্ণশক্তি দিয়ে খেলাতে চাইছেন। একাদশে তাই একটি পরিবর্তন এনেছেন। ফরোয়ার্ড সাগরিকার জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়রকে খেলাচ্ছেন।
এছাড়া সেমিফাইনাল ম্যাচে যারা খেলেছেন, তারাই আজ থাকছেন। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন আগেই বলেছেন, 'আমরা শিরোপা ধরে রাখার জন্য মাঠে নামবো। সবাই নিজের জন্য তথা দেশের জন্য খেলছে। আশা করছি সবাই সফল হতে পারবে।'
সানজিদা আক্তার তো গতবারের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। আজও শিরোপা জিতে তেমন সংবর্ধনা পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।
তবে স্বাগতিক নেপাল সাবিত্রা ভান্ডারিদের নিয়ে মরণকামড় যে দেবে, তা বলে দেওয়া যায়। বারবার ফাইনালে উঠেও যে শিরোপা জেতা হয় না। আজ নিশ্চয়ই সফল হতে চাইবে তারা।
বাংলাদেশের একাদশ: রুপনা চাকমা, আফঈদা খন্দকার, মাসুরা পারভীন, শিউলী আজিম, সাবিনা খাতুন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও তহুরা খাতুন।