ইউরোপ-ভিয়েতনাম নয়, নেপালই বাংলাদেশের ভরসা

সবার আগে অল-নেপাল ফুটবল এসোসিয়েশন (আনফা) ৭ জুলাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিল, সেপ্টেম্বরের উইন্ডোতে বাংলাদেশ কাঠমান্ডুতে দুটি ম্যাচ খেলবে। তবে  বাফুফে ছিল নীরব। মাঝে ভিয়েতনাম নিয়ে কাজ হলেও অবশেষে নেপালের বিপক্ষেই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা ৬ ও ৯ সেপ্টেম্বর নেপালের কাঠমান্ডুতে দুটি ম্যাচ খেলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

বাফুফে ২৯ মে জাতীয় দল কমিটির সভায় সেপ্টেম্বরের উইন্ডোতে বাংলাদেশ দলকে ইউরোপের কোনও দলের সঙ্গে খেলানোর পরিকল্পনার কথা বলেছিল। তারা ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়ার ২৭টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগও করে। ইউরোপ ও আফ্রিকার দেশগুলো ওই সময়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা থাকায় অপারগতা জানায়। ফাঁকে শ্রীলঙ্কায় চার জাতি টুর্নামেন্ট খেলতে প্রাথমিকভাবে সম্মত থাকলেও পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কা ফুটবল ফেডারেশন সেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করলে আবার পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

বাফুফে ১৮ জুন নেপালের সঙ্গে খেলার আমন্ত্রণ পাঠায়। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার পর ২ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে দুই পক্ষ দুই ম্যাচ খেলার সম্মতি দেয়। নেপাল ম্যাচ খেলার সম্মতি দেওয়ার পর ভিয়েতনাম ১১ জুলাই বাফুফেকে দুটি অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানায়। তখন সংকটে পড়ে বাফুফে। ৯ অক্টোবরে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের বিপক্ষে খেলার আগে শক্তিশালী ভিয়েতনামের সঙ্গে খেলার জন্য এগোয় তারা। নেপালের সঙ্গে সূচি চূড়ান্ত হওয়ায় তারা চেষ্টা করেছিল কম্বোডিয়াকে নেপালে এনে খেলানোর ব্যবস্থা করতে। তবে কম্বোডিয়া কাঠমান্ডুতে যেতে আগ্রহী না হওয়ায় বাফুফে আর ভিয়েতনামের সঙ্গে খেলার বিষয়টি এগোতে পারেনি। 

আজ জাতীয় টিমস কমিটির এক অনলাইন সভা হয়েছে। সেখানে বর্তমান পরিস্থিতিতে নেপালের সঙ্গেই সেপ্টেম্বরের উইন্ডোতে দুটি ম্যাচ খেলার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে পূর্বে সম্মতি প্রদান এবং আঞ্চলিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে বাফুফে। এখন হংকংয়ের বিপক্ষে অক্টোবরে দুটি ম্যাচের আগে প্রীতি ম্যাচে নেপালই ভরসা।