তবে এই নির্বাচনকে ঘিরে দাবা ফেডারেশনে দুই গ্রুপের সৃষ্টি হয়েছে। লায়ন মো. মুজিবর রহমান, মুশফিকুর রহমান মোহন, মোকাদ্দেছ হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন এরা রয়েছেন এক গ্রুপে। আর অন্য গ্রুপে রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক গাজী সাইফুল তারেক, কে এম শহিদউল্লাহ, সৈয়দ শাহবুদ্দিন শামীম।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার লায়ন মো. মুজিবর রহমানের গ্রুপ দাবা ফেডারেশনের নানা অনিয়ম ও কাউন্সিলরশিপের ত্রুটি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে দাবা ফেডারেশনের সাবেক নির্বাহী সদস্য মুজিবর রহমান বলেন,‘ একটি নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি চার বছর কাটিয়ে দিল অথচ দাবার গঠণতন্ত্রে নানান সমস্যা থাকলেও তা যুগোপযুগী করার জন্য এক/দুটি এজিএম করা তাদের পক্ষে সম্ভব হলো না। আমরা দাবা ফেডারেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা দাবা ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে সাধারণ সম্পাদককে এজিএম করার ব্যাপারে বারবার অনুরোধ করলেও তিনি এজিএম করার কোনও আগ্রহ প্রকাশ না করে নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছেন।’
এসভায় উপস্থিত ছিলেন তিন গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান, এনামুল হোসেন রাজীব ও আব্দুল্লাহ আল রাকিব। এরা কোনও পক্ষ বা প্যানেলে সমর্থন না জানিয়ে বলেন,‘কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করে দাবার উন্নয়নের জন্য ভাবা উচিত। ’
এদিকে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদকে কাউন্সিলর দেখানো হয়েছে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ হিসেবে। নিয়াজ এখনও খেলছেন। নিয়াজের ভোটাধিকার নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে!
/আরএম/এফআইআর/