অলিম্পিকে সাঁতার পুলে রেস অব দ্য সেঞ্চুরিতে নজর ছিল সবার। ৪০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে অস্ট্রেলিয়ার আরিয়ার্না টিটমাস নেমেছিলেন সোনার পদক ধরে রাখার মিশনে। যুক্তরাষ্ট্রের কেটি লেডিকি নেমেছিলেন সোনার পদক পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে। তাতে শেষ হাসি হেসেছেন অস্ট্রেলিয়ার টিটমাস।
২৩ বছর বয়সী টিটমাস ৩ মিনিট ৫৭.৪৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতেছেন সোনা। কানাডিয়ান টিনএজার সামার ম্যাকিনটোশ ৩ মিনিট ৫৮.৩৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতেছেন রূপা। আর শেষ ৫০ মিটারে নিষ্প্রভ হয়ে পড়া লেডিকি ৪ মিনিট ০.৮৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতেছেন ব্রোঞ্জ পদক। সোনার পদক জিতে কীর্তিও গড়েছেন টিটমাস। ডন ফ্রেজারের পর অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় নারী সাঁতারু হিসেবে অলিম্পিক পদক ধরে রেখেছেন। এমন কীর্তির কথা শুনে টিটমাসের প্রতিক্রিয়া ছিল এমন, ‘বিশ্বাসই করতে পারছি না এটা আমি! সত্যি করে বলছি। নিজের দিকে চেয়েও স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। তবে আমি সাঁতার খুব ভালোবাসি। নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতেও। তার সঙ্গে উপভোগের মন্ত্র তো থাকছেই।’
এত বড় কীর্তি গড়েও মাটিতেই পা রাখছেন টিটমাস। বরং আশা করছেন তাকে সবাই আগের মতো করেই দেখুক, ‘আশা করবো কেউ আমাকে ভিন্নভাবে দেখবে না। আমি সেই তাসমানিয়ার পুরোনো বোকাসোকা মেয়েটাই আছি।’
লেডিকি ২১০৬ সালে ৪০০ মিটার ফ্রি স্টােইলে সোনা জিতলেও টোকিও অলিম্পিকে টিটমাসের কাছে শ্রেষ্ঠত্ব হারান। ফ্রান্সে আসার আগে টিটমাসের ফর্মও ছিল অবিশ্বাস্য। কেটির মতো লিজেন্ডকে হারিয়ে গর্ববোধই করছেন তিনি, ‘এই ফল পেয়ে আমি দারুণ খুশি। আর এই লড়াইয়ে এবং কেটির মতো কিংবদন্তির পাশে লড়াই করতে পেরে গর্ববোধ করছি।’