অলিম্পিক এমন এক প্ল্যাটফর্ম যা সকল স্তরের ক্রীড়াবিদের মিলনমেলা। এখানে বেশির ভাগ ডিসিপ্লিনেই কোনও খেলাতে নির্দিষ্ট কোনও বয়সসীমা নেই। সাধারণত পারফর্ম করতে পারলে সেদেশের হয়ে খেলার টিকিট মেলে। এই যেমন তুরস্কের ইউসুফ ডিকে। ৫১ বছর বয়সেও প্যারিসের ছাতেরু শুটিং কমপ্লেক্সে রীতিমতো ‘বিপ্লব’ ঘটিয়েছেন। পিস্তল দ্বৈত ইভেন্টে জিতেছেন রুপার পদক! আর তা দেখে রীতিমতো আফসোস ঝরছে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের।
হওয়ারই কথা! ইউসুফ এমন একজন শুটার, শুটিংয়ে যার অংশ নিতে আলাদা কোনও ইকুইপমেন্ট লাগেনি। চোখে স্বাভাবিক চশমা পরেই পদক জিতে হইচই ফেলে দিয়েছেন।
তুরস্কের ওই খেলোয়াড়ের উদাহরণ তুলে ধরে কলি বলেছেন, ‘৫১ বছর বয়সী শুটার মেধাবী, তাতে সংশয় নেই। তবে আমাদের এখানে মেধাবী শুটার রয়েছে। দেখা যায় কেউ একটু খারাপ করলেই বলা হয় নতুনদের নিয়ে আসতে। অথচ অভিজ্ঞতার কোনও বিকল্প নেই। কারও খারাপ সময় গেলে তার পাশে থাকতে হয়। তাকে সময় দিতে হয়।’
প্যারিসে ভারতের মানু ভাকের ব্রোঞ্জ জিতেছেন। তার উদাহরণ টেনেও কলি বলেছেন, ‘মানু ভাকের গত অলিম্পিকে কিছু করতে পারেননি। এবার কিন্তু ঠিকই পদক জিতেছেন। তার পাশে সবাই ছিলেন। এমন নয় নতুনরা উঠে আসেননি। আমার কথা হলো খারাপ করলেই ছুড়ে ফেলতে হয় না, সময় দিতে হয়। পাশে এসে দাঁড়াতে হয়। তাহলে ভালো করা সম্ভব। আর ৫১ বছরে আমাদের এখানে কেউ শুটিং করবে এটা চিন্তা করাও অকল্পনীয়। এরকম দীর্ঘমেয়াদে পরিকল্পনা তো আমাদের এখানে হয় না। তাই অনেক খারাপ লাগে এসব চিন্তা করলে।’
আরেক শুটার জেসিমুজ্জামান হিমেলতো কর্তৃপক্ষের দিকে আঙুল তুলে বলেছেন, ‘যারা বলে হবে না, আসলে তাদের চিন্তাভাবনা বুড়ো হয়ে গেছে।’
এসএ গেমসে সোনাজয়ী কারাতেকা হোমায়রা অন্তরা বলেছেন, ‘সব ফেডারেশনে প্রায় একই বিষয়। তবে ফল কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে আসে। নতুনদের থেকে কমই।’