১০০ মিটার স্প্রিন্টে শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেয়েছেন ইমরানুর রহমান। তবে জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসে আজ ২০০ মিটার ইভেন্টে দৌড় শেষ করতে পারেননি। মাঝ পথে পড়ে যান। ট্র্যাক ছেড়ে যেতে হয়েছিল হাসপাতালে। তবে আশার কথা পেশির চোট গুরুতর কিছু নয়। তবে দৌড় শেষ করতে না পেরে লন্ডন প্রবাসী অ্যাথলেট যেমন হতাশ, আবার অনিয়ম নিয়ে ফেডারেশনের ওপর ক্ষোভও ঝাড়তে ছাড়েননি।
নিজের চোট নিয়ে দেশের দ্রুততম মানব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘৫০ মিটার বা তার একটু পরেই বড় ধরনের ক্র্যাম্প অনুভব করলাম। বড় ধরনের ইনজুরি এড়াতে আমি পড়ে গিয়েছি। আমি মনে করি হ্যামস্ট্রিংয়ে হালকা টান পড়েছে, বড় কিছু নয়।’
এরপরই যোগ করলেন, ‘হয়তো দুই বা চার সপ্তাহ (সুস্থ হতে) লাগতে পারে। আমার মনে হয়, যদি দৌড় চালিয়ে যেতাম, তাহলে কয়েক মাসের জন্য ছিটকে যেতে হতো। আমি ফিরে এসে ওষুধ ও বরফ দিয়েছি। কালকে আরও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। তাও ভালো যে আগের কোনও সমস্যা নয় এটা। পড়ে যাওয়ার আগে আমি ভালো ছিলাম।’
ইমরানুর চাননি কোনও ঝুঁকি নিতে। তার কথাতে পরিষ্কার, ‘দৌড় শেষ করার জন্য আমি ঝুঁকি নিতে পারি না। কিন্তু আমি জানি এরই মধ্যে আমি ৮৫ শতাংশ ফিট। সূচির (এসএ গেমস) চেয়ে ৪-৫ মাস পিছিয়ে আছি।’
শুক্রবার ইমরানুকে আগে একজনের সঙ্গে দৌড়াতে হয়েছে। এনিয়ে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বললেন, ‘শুক্রবার প্রথমবার কারও সঙ্গে দৌড়ালাম, সেটা অনুশীলন বা মূল প্রতিযোগিতা যাই হোক না কেন। সাধারণত এই ধরনের প্রতিযোগিতার ২ মাস আগে আমরা মহড়া দেই। আমি সরাসরি চলে এসেছিলাম। ফেডারেশন এসএ গেমসে বাছাই হওয়ার জন্য এই দৌড় গুরুত্বপূর্ণ বলেছে বলেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। নয়তো আমি আরও সময় পেতাম।’
এরপর সরাসরি ফেডারেশনের ওপর রাগ ঝাড়লেন ইমরানুর, ‘ফেডারেশনের বোঝার দরকার অ্যাথলেটরা কী করে। দেরি করা, সূচি পরিবর্তন, এসব অ্যাথলেটদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করে এবং ইনজুরির আশঙ্কাও জাগে। রাজনীতিতে নয়, খেলায় মন দেই। আপনি যে কোনও অ্যাথলেটকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, আমরা এসব নিয়ে কেমন অনুভব করি। তারা একমত হবে।’