গত বছরের ১ জুলাই থেকে ২০১৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ৩০ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, প্রতিবছরই রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। রফতানি বাণিজ্যে গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি কমছে।
সোমবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
গত কয়েক অর্থ বছরের পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০১০-১১ অর্থ বছরে রফতানির পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৯২৪ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে রফতানির পরিমাণ বেড়ে ৩১ হাজার ২০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ঘটতির পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ৫০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ঘাটতির পরিমাণ ৯ হাজার ৭২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থ বছরে (২০১৫-১৬) অর্থ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ২৩৯ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে গত অর্থ বছরে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৫৬১ দশমিক ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের হিসাব অনুযায়ী সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভুটান, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে আফগানিস্তান, মালদ্বীপ ও নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক অনুকূলে রয়েছে।
নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থ বছরের ১ জুলাই থেকে মে ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে ৩০ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পণ্য রফতানি করা হয়েছে।
এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে শাকসবজি বর্হিবিশ্বে রফতানি করা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত এই খাতে রফতানি আয়ের পরিমাণ ৮৭ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আরও পড়ুন-
যারা নারী-শিশুদের পুড়িয়ে হত্যা করেছিল তারাই এ অস্ত্র এনেছে: ডিএমপি কমিশনার
তিন মাসেও অধরা তনুর খুনিরা
/পিএইচসি/এফএস/








