প্রচলিত ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত না হওয়ায় দেশের কৃষিখাত এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন ডিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি হোসেন এ সিকদার। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হওয়ার পরও এ খাতের উদ্যোক্তাদের সময়মতো ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।’ বৃহস্পতিবার ডিসিসিআই মিলনায়তনে আয়োজিত ‘কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়নে ঋণ সহায়তা প্রদানে প্রতিবন্ধকতা ও সমাধান’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
এগ্রি বিজনেস বোস্টার বাংলাদেশ-এর সহায়তায় ডিসিসিআই ও ইউএসএআইডি এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন প্রোগ্রাম (ডাই) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিসিসিআই-ডাই প্রজেক্ট-এর টিম লিডার মো. শোয়েব চৌধুরী।
হোসেন এ সিকদার বলেন, ‘কৃষি খাতের উদ্যোক্তাদের নগদ লেনদেনের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য ক্রয় করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। ফলে উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ এসময় তিনি কৃষি খাতের উদ্যোক্তাদের বিকাশের লক্ষ্যে ‘ভেঞ্চার ক্যাপিটাল’ ও ‘প্রাইভেট ইক্যুয়েটি ফান্ড’ গঠনেরও আহবান জানান।
কর্মশালায় ‘ইন্টারচার্চ অর্গানাইজেশন ফর ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন (আইসিসিও)’ বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ টিসা সেমেলজার বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের চাহিদা মাফিক আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
এগ্রি বিজনেস বোস্টার বাংলাদেশ-এর লিড প্রতিনিধি নাবা নাশিত তারেক বলেন, ‘বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দারিদ্র্যবিমোচন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সফল কৃষি ব্যবস্থপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।’
ডিসিসিআই মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির বলেন, ‘দেশের দারিদ্র্য সমস্যা নিরসনে কৃষি খাতের উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকদের উন্নয়নের কোনও বিকল্প নেই।
আরও পড়ুন: স্বর্ণ চুরি-ঘুষ লেনদেনের দায়ে চাকরি গেলো এনবিআরের ৩ কর্মকর্তার
/জিএম/এমএনএইচ/







