‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঝুঁকি অনেক বেশি। এ অবস্থায় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে টেকসই উন্নয়নের বিকল্প নেই। টেকসই উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের ওপর। এক্ষেত্রে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।’ শনিবার (১৩ মে) বগুড়ায় ‘টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের জন্য গ্রিন ব্যাংকিং’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা এ মতামত দেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম), সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (স্রেডা) এবং জিআইজেড যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। বগুড়া শহরের বেসরকারি একটি হোটেলের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন স্রেডার পরিচালক (নীতি এবং গবেষণা) সেলিমা জাহান। এতে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। বিশেষ অতিথি ছিলেন জিআইজেডের কমপোনেন্ট ম্যানেজার এসএম জাহিদ হাসান। অনুষ্ঠানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বগুড়া অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সেলিমা জাহান বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন জলবায়ু পরিবর্তন। এর প্রভাব মোকাবেলায় টেকসই জ্বালানির ওপর জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারকে একযোগে কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় থাকলে টেকসই জ্বালানিতে বাংলাদেশ মডেল হবে।’
অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবীব বলেন, ‘টেকসই জ্বালানির ক্ষেত্রে অর্থায়ন খুব জরুরি। এ কর্মশালার মাধ্যমে গ্রিন ব্যাংকিং ফ্রেমওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রয়াস চলছে।’
এসএম জাহিদ হাসান বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) টেকসই জ্বালানির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য আগামী দিনে গ্রিন ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’
প্রসঙ্গত, টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের জন্য গ্রিন ব্যাংকিং বিষয়ের ওপর মোট ৬টি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা এবং সর্বশেষ বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মোট ৩০০ জন প্রশিক্ষণার্থী এসব কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
/জিএম/এমও/








