বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্যে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা, মতিঝিলে নেটওয়ার্কিং সভা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ জুলাই ২০২৫, ১৬:৫১আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৫, ১৬:৫১

ওষুধ, সার্জিক্যাল সামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস পণ্য ও শিল্পের মধ্যবর্তী যন্ত্রাংশ খাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের অপার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মত দিয়েছেন দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। এ খাতগুলোতে জয়েন্ট ভেঞ্চার বা যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করলে দুই দেশই সুফল পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে আয়োজিত এক নেটওয়ার্কিং সভায় এই আশাবাদ উঠে আসে। সভার আয়োজন করে দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। এতে অংশ নেয় ঢাকায় সফররত পাকিস্তানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল এবং দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তারা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মুহাম্মদ ওয়াসিফ।

সভায় হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মোটর ও ইলেক্ট্রনিকস পণ্য, ওষুধ ও সার্জিক্যাল সামগ্রী এবং শিল্পের মধ্যবর্তী যন্ত্রাংশ—এই খাতগুলোতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিশাল সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে টেক্সটাইল ও কৃষিজ প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে।’ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে এফবিসিসিআই এবং পাকিস্তান চেম্বার (এফপিসিসিআই) যৌথভাবে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মুহাম্মদ ওয়াসিফ বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। একে কাজে লাগাতে নিয়মিত নেটওয়ার্কিং ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করতে হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নতুন ব্যবসায়িক খাত আবিষ্কারে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সভায় উভয় দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ওষুধ, সার্জিক্যাল সামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস ও টেক্সটাইল খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক নাসরিন ফাতেমা আউয়াল, মহাসচিব মো. আলমগীর, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স উইংয়ের প্রধান মো. জাফর ইকবাল এনডিসি এবং দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতারা।

/জিএম/ইউএস/
সম্পর্কিত
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
কদমতলীতে ইন্টারনেট সার্ভিসের ৩ কর্মীকে মারধর
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে এক মাসে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী