দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় নতুন এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।
সোমবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ করা হয়।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের হলমার্ককৃত স্বর্ণালংকারের প্রতি গ্রাম বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৩১৫ টাকা। সে হিসাবে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৭৫ টাকা, যা আগের দামের তুলনায় ৩ হাজার ২৮১ টাকা কম। এর আগে ৩ জুলাই থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা।
এছাড়া নতুন দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের মূল্য ১৮ হাজার ৪৪৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৫ হাজার ৮৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণের মূল্য ১২ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, রৌপ্যালঙ্কারের দামও কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রৌপ্যালংকারের দাম ৪২০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩৪৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম ২৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইনভেদে মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া স্বর্ণ ও রৌপ্যালঙ্কার এক্সচেঞ্জ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্ববর্তী নীতিমালা বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে দেশের বাজারে এখন পর্যন্ত ৮৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৩ দফা কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য, স্থানীয় কাঁচামালের দাম এবং বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাজুস নিয়মিতভাবে এ মূল্য সমন্বয় করে থাকে।








