সরকারের এক সিদ্ধান্তে কত মানুষের কষ্ট বাড়লো?

গোলাম মওলা 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০১আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০১

নিত্যপণ্যের চড়া দামে এমনিতেই দিশেহারা মানুষ। আয় বাড়ছে না, কিন্তু বাড়ছে সংসারের খরচ। চাল-ডাল, সবজি, ভোজ্যতেল থেকে শুরু করে বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয়; সব মিলিয়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক বাজেট অনেকটাই চাপে। এর মধ্যেই এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম। আর দাম বাড়ানোর একদিনের মধ্যেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে গণপরিবহন থেকে পণ্য পরিবহন, কৃষি ও বাজারে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা। এর ফলে শুধু গাড়ির মালিক বা তেল ব্যবহারকারীর খরচই বাড়েনি; বরং জ্বালানি ব্যবহার করে এমন প্রায় প্রতিটি খাতের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই বাড়তি খরচ শেষ পর্যন্ত কে বহন করবে? উত্তরটি খুব কঠিন নয়। পরিবহন মালিক, কৃষক, ব্যবসায়ী বা শিল্পোদ্যোক্তা বাড়তি ব্যয়ের পুরোটা নিজেদের কাঁধে নেবেন না; এর বড় অংশই শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়বে।

ইতোমধ্যে সরকার দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনের বাসভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দূরপাল্লার বাসে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন বাসে যাতায়াত করা লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন খরচ এখন আরও বাড়বে।

তবে সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই অনেক রুটে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দূরপাল্লার বাসেও কোথাও কোথাও যাত্রীপ্রতি ৫০ টাকা বা তার বেশি বাড়তি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে নির্ধারিত ১৭ পয়সার হিসাবের বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

বাসভাড়ার পর বাড়বে পণ্য পরিবহন খরচ

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সবচেয়ে দ্রুত প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতে। বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লঞ্চসহ ডিজেলনির্ভর যানবাহনের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। একটি ট্রাকের ভাড়া কোনও কোনও রুটে এক ধাক্কায় কয়েক হাজার টাকা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় পণ্য পরিবহনের একটি ট্রাকের ভাড়া আগে ৩২ হাজার টাকা থাকলেও তেলের দাম বাড়ার পর তা ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে; এমন উদাহরণও পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই বাড়তি টাকা তারা নিজেদের পকেট থেকে দেবেন না। পরিবহন ব্যয় বাড়লে তা পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হবে।

এর অর্থ হলো, একটি পণ্য উৎপাদনের পর কারখানা থেকে পাইকারি বাজার, সেখান থেকে খুচরা বাজার এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে বাড়তি পরিবহন ব্যয় যুক্ত হতে পারে। ফলে শুধু বাসভাড়া নয়, বাজারের প্রায় সব পণ্যের দামেই এর প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

কৃষকের খরচ বাড়বে, চাপ পড়বে খাদ্যবাজারে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে কৃষিতে। দেশের কৃষি এখনও ব্যাপকভাবে ডিজেলচালিত সেচ ও কৃষিযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। জমি প্রস্তুত, সেচ, ফসল কাটা, মাড়াই, পরিবহন; কৃষির বিভিন্ন পর্যায়েই ডিজেলের ব্যবহার রয়েছে।

বিশেষ করে সামনে বোরো মৌসুম। দেশের মোট চাল উৎপাদনের বড় অংশ আসে বোরো থেকে এবং এই ফসলের সেচব্যবস্থা অনেকটাই ডিজেলনির্ভর। ফলে ডিজেলের দাম বাড়ার অর্থ হলো কৃষকের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়া।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, দেশে বছরে ডিজেলের যে ব্যবহার হয় তার একটি বড় অংশ কৃষিতে ব্যবহৃত হয়। নতুন দামে কৃষকদের জ্বালানি ব্যয় বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বেশি বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট হিসাব থেকে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষক যদি বাড়তি উৎপাদন খরচের সমান দাম না পান, তাহলে তার আয় কমবে। আর কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়লে বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার চাপও তৈরি হবে। ফলে জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রভাব শুধু কৃষকের জমিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা শহরের ভোক্তার বাজারেও পৌঁছাবে।

শিল্পে বাড়বে উৎপাদন ব্যয়

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে শিল্প খাতেও। গার্মেন্ট, টেক্সটাইল, সিমেন্ট, স্টিল, সিরামিকসহ বিভিন্ন শিল্পে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জ্বালানি ব্যবহার হয়। কারখানার নিজস্ব পরিবহন, জেনারেটর, পণ্য পরিবহন এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতির পরিচালন ব্যয় বাড়বে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এমনিতেই ঋণের ব্যয় বেশি, অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল এবং বিনিয়োগের গতি কম। এর মধ্যে জ্বালানি ব্যয় বাড়লে উৎপাদন খরচ আরও বাড়বে। উদ্যোক্তারা বাড়তি খরচ পণ্যের দামে সমন্বয় করার চেষ্টা করলে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হবে। আর দাম বাড়ানো সম্ভব না হলে কমতে পারে মুনাফা ও বিনিয়োগের সক্ষমতা।

মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় নতুন চাপ

অর্থনীতিবিদদের মূল উদ্বেগ এখানেই। মানুষের আয় একই থাকলেও যদি বাসভাড়া, বাজার খরচ, খাবার, কৃষিপণ্য, পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ে, তাহলে প্রকৃত আয় কমে যায়। অর্থাৎ একই পরিমাণ টাকা দিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য কেনা সম্ভব হবে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির তাৎক্ষণিক প্রভাব পরিবহন খাতে পড়বে। পরে কৃষি, শিল্প ও পণ্য উৎপাদনেও এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে। তার মতে, ডিজেলের ব্যবহারকারী শুধু পরিবহন খাত নয়; কৃষি ও শিল্পেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ফলে সব ধরনের জ্বালানির দাম একইভাবে বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর প্রভাব কতটা পড়ছে, সেটি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সানেমের নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হানও মনে করেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর নতুন চাপ তৈরি করবে। বিশেষ করে শহরের নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, ডিজেলনির্ভর কৃষক পরিবার এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা বেশি ঝুঁকিতে পড়বেন।

শুধু দাম বাড়ানোই কি সমাধান?

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ফলে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এ অবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের পক্ষে এ মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনও বিকল্প ছিল না।’

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিমের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার অনেকটা উভয় সংকটে রয়েছে। একদিকে জ্বালানি আমদানির ব্যয়, অন্যদিকে ভর্তুকি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার চাপ।

কিন্তু ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের প্রশ্ন, দাম বাড়ানো ছাড়া ব্যয় কমানোর অন্য পথগুলো কতটা কাজে লাগানো হচ্ছে? এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক মনে করেন, জ্বালানির দাম বাড়ানোই সমস্যার একমাত্র সমাধান কিনা, তা বিবেচনা করা দরকার। জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থার অপচয়, সিস্টেম লস এবং ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা কমানোর সুযোগ থাকলে সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, জ্বালানি তেলের ওপর শুল্ক-কর কাঠামোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আমদানি করা ডিজেলের ওপর লিটারপ্রতি উল্লেখযোগ্য অঙ্কের শুল্ক-কর দিচ্ছে সরকার। ফলে মূল্য সমন্বয়ের পাশাপাশি কর কাঠামো, সরকারি ব্যয় এবং জ্বালানি খাতের দক্ষতাও পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি চাপ কার ওপর?

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সবার ওপর পড়বে, কিন্তু সবার ওপর সমানভাবে নয়। উচ্চআয়ের মানুষ বাড়তি পরিবহন বা জ্বালানি ব্যয় তুলনামূলক সহজে সামলাতে পারলেও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ১০০ বা ২০০ টাকা অতিরিক্ত খরচও মাসিক বাজেটে বড় ধাক্কা।

একজন দিনমজুর, পোশাকশ্রমিক, ছোট ব্যবসায়ী কিংবা নিম্ন আয়ের চাকরিজীবীর আয় যদি একই থাকে অথচ প্রতিদিনের যাতায়াত, বাজার ও পরিবারের খাবারের খরচ বাড়ে, তাহলে তাকে অন্য কোনও খাতের ব্যয় কমাতে হবে। সঞ্চয় কমবে, ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে, জীবনযাত্রার মান কমতে পারে।

সিপিডির গবেষক গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার হয়তো অনেকটাই নিরুপায়। তবে এর সবচেয়ে বড় ভোগান্তির শিকার হবেন সাধারণ মানুষ। তাই বাস ও পণ্য পরিবহনের ভাড়া যাতে অযৌক্তিকভাবে না বাড়ে, সেটি কঠোরভাবে তদারকি করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, সরকারের এক সিদ্ধান্তে শুধু জ্বালানির দামই বাড়েনি; বাড়ছে পরিবহন ব্যয়, কৃষকের উৎপাদন খরচ, শিল্পের পরিচালন ব্যয় এবং বাজারে পণ্য পৌঁছানোর খরচ। আর এসব ব্যয়ের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন সাধারণ ভোক্তা।

সরকারের জন্য তাই এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে; জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে যে বাড়তি রাজস্ব বা ভর্তুকি সাশ্রয় হবে, তার বিপরীতে সাধারণ মানুষের ওপর তৈরি হওয়া মূল্যস্ফীতির চাপ কীভাবে সামাল দেওয়া যায়। শুধু দাম বাড়িয়ে বাজারকে ছেড়ে দিলে এই সিদ্ধান্তের বোঝা সবচেয়ে বেশি বহন করতে হবে সেই মানুষকেই, যার আয় বাড়ানোর সুযোগ সবচেয়ে কম।

সরকারের পক্ষ থেকে যা বলা হচ্ছে

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‌‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে যাতে মূল্যস্ফীতি না বাড়ে এবং পণ্যের সরবরাহে কোনও ধরনের বিঘ্ন তৈরি না হয়, সে জন্য সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব যাতে অন্য পণ্যের দামে না পড়ে, সে জন্য সরবরাহব্যবস্থার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। দুদিন আগেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানিকারক ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। যোগাযোগ ও সরবরাহব্যবস্থায় কোথায় কোথায় অসংগতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সম্ভাব্য যে অভিঘাত তৈরি হতে পারে, তা কীভাবে কমানো যায়, সে জন্য আমরা কাজ করছি। মূল্য স্থিতিশীল থাকবে এবং মূল্যের ওপর তেমন লক্ষণীয় কোনও অভিঘাত আসবে না বলে আমরা আশা করছি।’

অবশ্য জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব যে সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে, তা স্বীকার করে নিয়ে আগেই দুঃখ প্রকাশ করেছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা বারবারই বলেছিলাম যে উপায়হীন না হলে এই অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তটি সরকার নিতে চাইবে না, কিংবা নেবে না। এ রকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি। সেই কারণে জনগণের কাছে আন্তরিকভাবে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

তিনি বলেন, চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবারও সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।

/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও সুবিধা নিতে পারে না কেন বাংলাদেশ
তেলের ডিপোতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা চেয়ে গ্রেফতার কৃষক দলের নেতা, পরে বহিষ্কার
জ্বালানির দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
গভীর নিম্নচাপে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা
গভীর নিম্নচাপে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, উপকূলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা
‘সৌদি আরবকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে মর্যাদা দেয় বাংলাদেশ’ 
‘সৌদি আরবকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে মর্যাদা দেয় বাংলাদেশ’ 
উপাচার্যকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত চুয়েটে ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ চলবে
উপাচার্যকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত চুয়েটে ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ চলবে
নেদারল্যান্ডসের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কুশল বিনিময়
নেদারল্যান্ডসের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কুশল বিনিময়
সর্বাধিক পঠিত
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, যোগদানের ২০ দিনের মাথায় এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার
রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, যোগদানের ২০ দিনের মাথায় এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার
বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি
বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি
‘শিগগিরই চার টুকরোয় ভাঙবে উত্তর প্রদেশ’
‘শিগগিরই চার টুকরোয় ভাঙবে উত্তর প্রদেশ’
গুলশান থেকে আ.লীগের তিনবারের এমপি গ্রেফতার
গুলশান থেকে আ.লীগের তিনবারের এমপি গ্রেফতার