চীনের পুঁজিতে বাংলাদেশে কারখানা

ঘাটতি থেকে শিল্পায়নের পথে, নাকি নতুন নির্ভরতার ফাঁদে?

 

 

গোলাম মওলা
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০

চীন থেকে বাংলাদেশে আসে বিশাল জাহাজভর্তি পণ্য। শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে শুরু করে নানা ধরনের শিল্প উপকরণ। বিপরীতে বাংলাদেশের পণ্য নিয়ে চীনের বন্দরে যায় তুলনামূলক অনেক কম জাহাজ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি ছিল প্রায় ১৮ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রফতানি হয়েছে মাত্র ৬৯৪ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। ফলে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ১৭ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার।

তবে এই হিসাবের অন্য একটি দিকও আছে। চীন থেকে আসা সব পণ্য বাংলাদেশের ভোগের জন্য নয়। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, মূলধনি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট উপকরণ। এসব পণ্য এনে বাংলাদেশে কারখানা চলছে, পণ্য তৈরি হচ্ছে এবং সেগুলোর একটি অংশ আবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানিও হচ্ছে।

তাহলে প্রশ্ন হলো, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কি শুধু আমদানি নির্ভরতার গল্প, নাকি এই আমদানির একটি অংশ ভবিষ্যতের শিল্প সক্ষমতা তৈরির ভিত্তিও তৈরি করছে?

তিন পর্বের এই অনুসন্ধানের প্রথম পর্বে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন এই প্রতিবেদক। দেখা হয়েছে চীনের পুঁজি ও পণ্য বাংলাদেশে কী ধরনের উৎপাদন তৈরি করছে, চীনের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশের সুযোগ কতটা কাজে লাগছে এবং বড় বড় বিনিয়োগের ঘোষণা কতটা বাস্তব কারখানায় রূপ নিচ্ছে।

প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি ছিল প্রায় ১৮ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানি হয়েছে ৬৯৪ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলার। ফলে ওই অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ১৭ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের একক কোনও দেশের সঙ্গে এটিই সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ঘাটতি।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পৃথক হিসাবে আমদানির পরিমাণ কিছুটা কম, প্রায় ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। হিসাবের পার্থক্য থাকলেও মূল চিত্র একই। বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ পণ্য চীন থেকে কিনছে, বিপরীতে রফতানি করছে খুবই সামান্য। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চীনের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বেড়ে প্রায় ৮২১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি প্রায় ১৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

অঙ্কটি এখনও চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির তুলনায় খুবই কম। তবে রফতানি বাড়ার প্রবণতা নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেই সম্ভাবনার সঙ্গে আরেকটি প্রশ্নও জড়িত। চীন থেকে আমদানি করা কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বাংলাদেশ কত ডলারের নতুন উৎপাদন তৈরি করছে এবং সেই উৎপাদনের কতটা শেষ পর্যন্ত রফতানি হচ্ছে?

আমদানি কি তৈরি করছে নতুন শিল্প?

চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের বড় অংশ সরাসরি ভোগ্যপণ্য নয়। এর মধ্যে রয়েছে শিল্পের কাঁচামাল, মধ্যবর্তী পণ্য, মূলধনি যন্ত্রপাতি এবং প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকরণ। অর্থাৎ বাণিজ্য ঘাটতির পুরোটা ভোগের অর্থ নয়। এর একটি বড় অংশ বাংলাদেশের উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে আমরা শুধু আমদানি-রফতানির হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারি না। বাংলাদেশের প্রয়োজন চীনের বাজার, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উৎপাদন নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হওয়া। তবে এর জন্য নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং বাজার কৌশলও শক্তিশালী করতে হবে।’

সিপিডি’র আরেক বিশিষ্ট ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে শুধু ঋণ ও অবকাঠামো প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও রফতানি সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ শুধু কম খরচের শ্রম ও উৎপাদনঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।’

অর্থাৎ চীন থেকে কী পরিমাণ পণ্য আসছে, সেই হিসাবের পাশাপাশি দেখতে হবে এসব পণ্য বাংলাদেশের ভেতরে কতটা নতুন উৎপাদন তৈরি করছে।

শুল্ক কমেছে, বাজার পাওয়া কি সহজ?

চীনের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামনে একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীন ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর প্রায় সব ট্যারিফ লাইনে শূন্য শুল্ক সুবিধা কার্যকর করেছে। ফলে বাংলাদেশও এই সুবিধা পাচ্ছে। কিন্তু শুল্ক কমলেই বাজার পাওয়া যায় না। চীনের বাজারে ঢুকতে হলে পণ্যের মান, নকশা, প্যাকেজিং, প্রয়োজনীয় সনদ, সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং চীনা ক্রেতার চাহিদা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের রফতানি কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারকেন্দ্রিক। ফলে চীনের বিশাল ভোক্তা বাজারে প্রবেশের জন্য আলাদা প্রস্তুতি দরকার। বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, “চীন বিপুল পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করে বলে অনেক উদ্যোক্তা সেখানে প্রতিযোগিতায় যেতে দ্বিধা করেন। এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যকে সরাসরি চীনের ভোক্তা বাজারে তুলে ধরতে হবে।”

তার হিসাবে, একই ধরনের কাপড় উৎপাদনে চীনের ব্যয় বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় ২৮ শতাংশ কম। ফলে প্রযুক্তি ও উৎপাদন দক্ষতায় উন্নতি না ঘটালে বাংলাদেশের শিল্পের পক্ষে চীনের বাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হবে।

তবে সম্ভাবনার জায়গাটিও বড়। খোরশেদ আলম মনে করেন, বছরে ১০০ কোটি ডলারের পোশাক চীনের বাজারে নেওয়া অসম্ভব নয়। এ লক্ষ্য সামনে রেখে বিসিসিসিআই চীনের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য প্রায় ২০টি প্রদর্শনী বা বিক্রয়কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করছে।

কুনমিংয়ে স্থায়ী প্রদর্শনকেন্দ্র

চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ বাড়াতে কুনমিংয়ে স্থায়ী প্রদর্শনকেন্দ্র ও গুদাম দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগ। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ জানান, প্রায় ২ হাজার বর্গফুটের প্রদর্শনকেন্দ্র এবং সমপরিমাণ জায়গায় গুদাম চালুর জন্য একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। চলতি বছরের মধ্যেই এটি চালু হতে পারে।

এ ধরনের উদ্যোগ বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সরাসরি উপস্থিতি তৈরির একটি পথ খুলতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত কতটা পণ্য বিক্রি হবে, সেটি নির্ভর করবে দাম, মান, সরবরাহ ও ক্রেতার চাহিদার ওপর।

পোশাকের বাইরে কোথায় বিনিয়োগ?

চীন নিজেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাক উৎপাদক। তাই প্রচলিত তৈরি পোশাকের বাইরে কোন খাতে চীনা বিনিয়োগ বাংলাদেশকে নতুন সক্ষমতা দিতে পারে, সেই প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক শুধু কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি কেনার সম্পর্ক হয়ে থাকলে আমাদের সম্ভাবনা সীমিত থাকবে। আমরা চাই চীনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি বাংলাদেশের পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প এবং উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনে আসুক।”

কৃত্রিম তন্তু, মানবসৃষ্ট তন্তু, প্রযুক্তিগত বস্ত্র, রং ও প্রিন্টিং এবং পোশাকের পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্পে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।

২০২৬ সালের ৪ আগস্ট বিজিএমইএ ও বাংলাদেশে প্রবাসী চীনা উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন’-এর মধ্যে চীনা বিনিয়োগ, যৌথ উদ্যোগ এবং বন্ধ বা দুর্বল কারখানায় নতুন পুঁজি ও প্রযুক্তি আনার বিষয়ে উদ্যোগ শুরু হয়েছে।

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, “চীনের বাজার বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ, কিন্তু সেই বাজারে প্রবেশের জন্য পণ্য, বিপণন ও ব্যবসায়িক কৌশলও আলাদা করতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ইউরোপ-উত্তর আমেরিকার ক্রেতাকেন্দ্রিক কাঠামোয় অভ্যস্ত।”

বিলিয়ন ডলারের ঘোষণা, কিন্তু কারখানা কতটি?

চীনা বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে বড় বড় অঙ্কের আলোচনা হয়েছে। শিল্পপার্ক, ইলেকট্রনিকস, বস্ত্র, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে এসেছে বিনিয়োগের ঘোষণা ও আগ্রহের কথা। কিন্তু বিনিয়োগের ঘোষণা আর চালু কারখানা এক বিষয় নয়।

শিল্পায়নের বাস্তব প্রমাণ তখনই আসে, যখন জমি পাওয়া যায়, অর্থায়ন আসে, অনুমোদন শেষ হয়, বিদ্যুৎ-গ্যাসের নিশ্চয়তা থাকে, কারখানা তৈরি হয়, যন্ত্রপাতি বসে, উৎপাদন শুরু হয় এবং পণ্য বাজারে যায়। এ বিষয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের মন্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে এর আগে বিভিন্ন প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তিনি বিনিয়োগের ঘোষণা ও বাস্তবায়নের মধ্যে পার্থক্যের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যের সারকথা হলো, বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রস্তাব ইতিবাচক সংকেত হলেও লক্ষ্য শুধু প্রস্তাব পাওয়া নয়; বিনিয়োগকে প্রকল্পে এবং প্রকল্পকে উৎপাদনে রূপ দেওয়া।

গ্যাস নেই, বিনিয়োগ থাকবে কোথায়?

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পথে বড় বাস্তব বাধাগুলোর একটি জ্বালানি। ২০২৬ সালের জুনে আশিক চৌধুরী প্রকাশ্যে বলেছিলেন, স্থানীয় ও বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্যই জ্বালানি, বিশেষ করে গ্যাসের সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে গড়ে ওঠা তিনটি কারখানা গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে বছরের পর বছর পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পারেনি। ফলে করছাড়, নীতিসুবিধা কিংবা বিনিয়োগের অনুমোদন থাকলেও কারখানা নিয়মিত চালানোর মতো জ্বালানি না থাকলে বিনিয়োগের অর্থনৈতিক ফল পাওয়া কঠিন। বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে তাই শেষ প্রশ্নটি খুব সরল, কারখানা কি নিয়মিত চলবে?

চীনের পুঁজি বাংলাদেশে আসছে, চীনা পণ্য ও কাঁচামাল দেশের শিল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে, আবার চীনের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য ঢোকার সুযোগও বাড়ছে। কিন্তু এই সম্পর্কের ফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে একটি চক্র কতটা কার্যকরভাবে তৈরি হচ্ছে তার ওপর।

/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিকেএসপিতে চীনা ভাষা শিক্ষা সেন্টারের উদ্বোধন
৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক হ্রাসে রাজি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে গেলো চীনের দুই জায়ান্ট পান্ডা
সর্বশেষ খবর
ম্যানসিটিকে নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, দায় নিতে নারাজ মানচিনি
ম্যানসিটিকে নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, দায় নিতে নারাজ মানচিনি
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ, প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ, প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়
গলায় ফোলা বা গুটি মানেই থাইরয়েড নয়, কোন লক্ষণে সতর্ক হবেন
গলায় ফোলা বা গুটি মানেই থাইরয়েড নয়, কোন লক্ষণে সতর্ক হবেন
দুই বোনের গল্পে জড়িয়ে থাকা হাজার বছরের সিন্দুরমতি
দুই বোনের গল্পে জড়িয়ে থাকা হাজার বছরের সিন্দুরমতি
সর্বাধিক পঠিত
৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার
৩৯৬ কোটিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন গতি, দূরত্ব কমবে ৪০ কিলোমিটার
বাংলাদেশের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন হামজা, কিন্তু...
বাংলাদেশের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন হামজা, কিন্তু...
কোটি মানুষের শিল্পনগরী, নেই কোনও বিনোদনকেন্দ্র
কোটি মানুষের শিল্পনগরী, নেই কোনও বিনোদনকেন্দ্র
দেশের সব বিভাগের আইনজীবীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত
দেশের সব বিভাগের আইনজীবীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত
সরকারকে সতর্ক করে আসিফ নজরুল বললেন, ‘এগুলো স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল’
সরকারকে সতর্ক করে আসিফ নজরুল বললেন, ‘এগুলো স্পষ্ট ওয়েক-আপ কল’