কৃষকদের সুবিধার জন্য সরকারই চালের দাম কিছুটা বাড়াতে চেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘চালের দাম যে পরিমাণ বেড়েছে, তা অসহনীয়। সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ার পরিমাণটা অস্বাভাবিক। মোটা চালের কেজি ৫০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ায় কিছু লোকের খুব অসুবিধা হয়েছে। দামটা আসলে অনেক বেড়েছে।’ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের লভ্যাংশের চেক গ্রহণকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চালের দাম বাড়ার কারণে কত শতাংশ দারিদ্র্যের হার বেড়েছে, তা এখনই নির্ধারণ করা সম্ভাব নয়। কিন্তু এটা ঠিক, চালের দাম বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের অনেক অসুবিধা হয়েছে। আগামীতে উৎপাদন বাড়লে চালের দাম কমে আসবে।’
উল্লেখ্য, চালের অস্বাভাবিক দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশে দারিদ্র্যের কবলে পড়েছে দেশের ৫ লাখ ২০ হাজার মানুষ। এতে শূন্য দশমিক ৩২ শতাংশ দারিদ্র্যের হার বেড়েছে বলে শনিবার তথ্য দিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেম।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আমদানিকৃত চালের পরিমাণ গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের পুরো আমদানির প্রায় পাঁচগুণ। এই সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো তাৎক্ষণিক রিপোর্ট। এগুলো বিশ্বাস করা উচিত হবে না। গরিব লোক কমছে বা বাড়ছে, এর জন্য অন্তত বছরখানেক দেখা দরকার।







