বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাজারে প্রতিটি পণ্যের মজুত চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। ভোজ্যতেল, ডাল, চিনি, ছোলা, মসলাসহ সব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ঘাটতির কোনও সম্ভাবনা নেই। মূল্যও স্থিতিশীল রয়েছে।
রবিবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেট আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সয়াবিন তেল নতুন করে কমিয়ে নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রয় হচ্ছে। সরকার যে সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে ট্যাক্স এবং ভ্যাট কমিয়েছে, তার সুফল ভোক্তারা পাচ্ছেন। বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এ টাস্কফোর্স গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।’
টিপু মুনশি জানিয়েছেন, বাজার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। অনিয়ম হলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সুফল ভোক্তা পাচ্ছে। ব্যবসায়ীরাও এখন অনেকটা সতর্ক হয়েছেন, পণ্যের মূল্য তালিকা দোকানে দেখা যাচ্ছে। ভোক্তার সচেতনতাও বেড়েছে। পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীদেরও আন্তরিক হতে হবে। সততার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে। দেশের প্রচার মাধ্যমগুলোর কাছে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করছি। আমরা সম্মিলিতভাবে সততার সঙ্গে চেষ্টা করলে চলমান অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতেও আমাদের বাজার স্বাভাবিক থাকবে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের নিম্ন আয়ের এক কোটি পরিবারকে বিশেষ কার্ড দিয়ে টিসিবি’র মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন। এর প্রথম কিস্তির পণ্য বিক্রয় শেষ হয়েছে, দ্বিতীয় কিস্তির পণ্য নির্ধারিত কার্ড হোল্ডারদের কাছে মধ্য রমজানে বিক্রয় করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনও অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









