দেশের স্বর্ণ বাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। নতুন করে দাম সমন্বয়ের ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা। একইসঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৪ টাকা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রৌপ্যের (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপ্যের নতুন দাম কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম (হলমার্ককৃত) স্বর্ণের প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৫০০ টাকা। ২১ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম স্বর্ণের প্রতি গ্রাম ২১ হাজার ৪৭৫ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১৮ হাজার ৪১০ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ১৪০ টাকা।
রৌপ্যের ক্ষেত্রেও দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দরে— ২২ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম (হলমার্ককৃত) রৌপ্যের প্রতি গ্রাম ৬৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেট ৬৩৫ টাকা। ১৮ ক্যারেট ৫৪৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি গ্রাম রৌপ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪১০ টাকা।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন মূল্যই কার্যকর থাকবে। একইসঙ্গে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।








