নদী ও খাল ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দূর করতে একটি শক্তিশালী একক কর্তৃপক্ষ বা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে নদী দখলমুক্ত করা, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব মতামত তুলে ধরেন।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, “নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে নিচু কালভার্ট ও সেতু নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। বর্তমানে প্রায় ১৫টি সরকারি সংস্থা নদী-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করলেও কোনও একক প্রতিষ্ঠান পূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে না। এই কারণে একটি কার্যকর অভিভাবক প্রতিষ্ঠান গঠন জরুরি।”
বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ হোসেন বলেন, “নদী উন্নয়নের জন্য প্রকল্প থাকলেও বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়হীনতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই দায়িত্ব ও কাজের পরিধি স্পষ্ট করা প্রয়োজন।”
ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংয়ের সিনিয়র স্পেশালিস্ট মো. তানিম সারওয়ার বলেন, “নদী দখল ও পলি জমার কারণে নাব্যতা দ্রুত কমছে। নদীর সীমানা ও গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে জিআইএসসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে।”
সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মো. মোতালেব হোসেন সরকার নদী ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর কমিশন গঠন এবং নদীকেন্দ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রস্তাব দেন।
