পোশাক খাতে মুনাফা কমছে কেন? 

গোলাম মওলা
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:০০আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪২

রফতানি বাড়ছে, কিন্তু বাড়ছে না পোশাক কারখানার মুনাফা। বরং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, ডিজেলচালিত জেনারেটরের ব্যবহার, বাড়তি কর্মঘণ্টা এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহের চাপ—সব মিলিয়ে তৈরি পোশাক খাতের লাভের পরিমাণ ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

আগস্টে দেশের তৈরি পোশাক রফতানি প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে মোট পণ্য রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। বাইরে থেকে দেখলে এটি পোশাক খাতের জন্য ভালো খবর। কিন্তু কারখানার ভেতরের চিত্র ভিন্ন। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় রফতানি থেকে পাওয়া বাড়তি আয়ের বড় অংশই চলে যাচ্ছে জ্বালানি ও অন্যান্য অতিরিক্ত খরচ মেটাতে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—রফতানি বাড়লেও উদ্যোক্তাদের হাতে আসলে কতটা মুনাফা থাকছে?

রফতানি বাড়ছে, কিন্তু লাভ কোথায়?

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে ৩৬০ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে। গত বছরের আগস্টের তুলনায় এ আয় ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। নিট পোশাক রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ। তবে এই প্রবৃদ্ধির অর্থ এই নয় যে পোশাক কারখানার লাভও একই হারে বেড়েছে। বরং উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে খরচ বাড়ায় অনেক কারখানায় মুনাফার পরিমাণ কমে যাচ্ছে।

গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। উৎপাদন চালু রাখতে কেউ ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করছেন, কেউবা বাড়তি সময় কারখানা চালাচ্ছেন। এতে একই পরিমাণ পোশাক তৈরি করতে আগের চেয়ে বেশি অর্থ খরচ হচ্ছে। অর্থাৎ রফতানির আয় বাড়লেও উৎপাদনের খরচ যদি আরও দ্রুত বাড়ে, তাহলে মুনাফা কমবেই।

গ্যাসের সংকট সরাসরি বাড়াচ্ছে উৎপাদন ব্যয়

গত ২১ জুলাই একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল অগ্নিদুর্ঘটনায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শিল্পকারখানায় গ্যাস সংকট তীব্র হয়। আগস্টজুড়ে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, ঢাকা ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন শিল্প এলাকায় প্রয়োজনীয় চাপের গ্যাস পাওয়া যায়নি।

গ্যাসের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল স্পিনিং, বুনন, ডায়িং ও ফিনিশিং কারখানাগুলোতে এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে নিট পোশাক খাতে স্থানীয় বস্ত্রকল থেকে কাপড় সংগ্রহ করা হয়। সেখানকার উৎপাদন কমে গেলে পোশাক কারখানাতেও কাঁচামালের সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়। ফলে একটি কারখানায় শুধু গ্যাসের বিলই বাড়ছে না— কাঁচামালের দাম, উৎপাদন সময় এবং পণ্য পরিবহনের খরচও বাড়ছে। সব মিলিয়ে পোশাক তৈরির মোট ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

ডিজেল দিয়ে উৎপাদন ধরে রাখলেও বাড়ছে লোকসানের ঝুঁকি

বড় কারখানাগুলো আপাতত ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করে উৎপাদন চালু রাখার চেষ্টা করছে। এতে কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে না, ক্রেতার কাছে পণ্য সরবরাহও কিছুটা ধরে রাখা যাচ্ছে। কিন্তু এর বিনিময়ে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, গ্যাস সংকটে উৎপাদনে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত যে ক্ষতি হচ্ছে, অনেক রফতানিকারক ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করে তা সামাল দিচ্ছেন। অনেক কারখানা আবার তিন থেকে চার ঘণ্টা অতিরিক্ত কাজ করছে। এর ফলে একই ক্রয়াদেশ পূরণ করতে উদ্যোক্তাকে অতিরিক্ত ডিজেল কিনতে হচ্ছে, অতিরিক্ত শ্রম ব্যয় করতে হচ্ছে এবং যন্ত্রপাতি বেশি সময় চালাতে হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—বিদেশি ক্রেতার সঙ্গে বেশিরভাগ পোশাকের দাম আগেই নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও সব সময় সেই বাড়তি খরচ ক্রেতার কাছ থেকে নেওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে বাড়তি খরচ সরাসরি উদ্যোক্তার মুনাফা থেকে কেটে যাচ্ছে।

সময়মতো পণ্য দিতে না পারলে খরচ আরও বাড়বে

গ্যাস সংকট দীর্ঘ হলে পোশাক খাতের আরেকটি বড় সমস্যা হবে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা। পোশাকের আন্তর্জাতিক বাজারে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এখন ক্রিসমাসের পোশাক সরবরাহের ব্যস্ত মৌসুম চলছে। জুলাই থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া ক্রয়াদেশের বড় অংশ এই সময়ের মধ্যেই তৈরি ও পাঠাতে হয়। গ্যাস সংকটে উৎপাদন পিছিয়ে গেলে সমুদ্রপথে পণ্য পাঠানোর স্বাভাবিক সময়সীমা পেরিয়ে যেতে পারে। তখন বাধ্য হয়ে আকাশপথে পণ্য পাঠাতে হবে।

চট্টগ্রাম থেকে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে সমুদ্রপথে পণ্য পাঠাতে যেখানে কেজিপ্রতি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ সেন্ট খরচ হয়, সেখানে আকাশপথে ইউরোপে খরচ হতে পারে ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৪ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫ থেকে ৫ দশমিক ৩০ ডলার। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ব্যস্ত মৌসুমে এই ব্যয় ইউরোপে প্রায় ৬ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৭ থেকে সাড়ে ৭ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। অর্থাৎ কয়েক দিন উৎপাদন পিছিয়ে যাওয়ার কারণে একটি পোশাকের চালানে যে অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় হবে, তা অনেক ক্ষেত্রে পুরো চালানের মুনাফা শেষ করে দিতে পারে।

ক্রেতার মূল্যছাড়ের চাপও বাড়ছে

শুধু আকাশপথে পণ্য পাঠানোর বাড়তি খরচ নয়, সময়মতো পণ্য দিতে না পারলে বিদেশি ক্রেতারা মূল্যছাড়ও চাইতে পারেন। বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘‘ক্রেতারা ইতোমধ্যে মূল্যছাড় এবং ব্যয়বহুল আকাশপথে পণ্য পাঠানোর বিষয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। একইসঙ্গে পরবর্তী মৌসুমের ক্রয়াদেশের পুরো পরিমাণও অনেক ক্রেতা দিচ্ছেন না।’’

‘‘এর ফলে পোশাক উদ্যোক্তারা দুই দিক থেকে চাপে পড়ছেন। একদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, অপরদিকে পণ্যের দাম বা ক্রয়াদেশ বাড়ছে না। এ অবস্থায় রফতানি বাড়লেও মুনাফা কমে যাওয়াই স্বাভাবিক।’’

নতুন ক্রয়াদেশ কমার আশঙ্কা

পোশাক খাতের জন্য আরও বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নতুন ক্রয়াদেশ নিয়ে। বিজিএমইএ’র তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে আগের মাসের তুলনায় ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন বা ইউডি ইস্যু প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। বিদেশি ক্রেতার ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির জন্য এই সনদ প্রয়োজন হয়। ফলে ইউডি কমে যাওয়াকে নতুন ক্রয়াদেশের প্রবাহ কমার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এখানে আগস্টের রফতানি প্রবৃদ্ধির সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। আগস্টে যে পণ্য রফতানি হয়েছে, তার বড় অংশের ক্রয়াদেশ আগেই পাওয়া। কিন্তু আজকের সংকটের কারণে যদি নতুন ক্রয়াদেশ কমে যায়, তাহলে তার প্রভাব আগামী কয়েক মাসের রফতানি ও উৎপাদনে দেখা যাবে। অর্থাৎ আগস্টের রফতানি বর্তমানের চেয়ে অতীতের পরিস্থিতিকে বেশি তুলে ধরছে।

তিন বছরে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ

পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি সংকট নতুন করে চাপ তৈরি করলেও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির সমস্যা অনেক পুরোনো। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিজিএমইএ নেতারা জানান, গত তিন বছরে পোশাক উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার এবং মজুরি বৃদ্ধির কারণে এই ব্যয় বেড়েছে।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির বড় অংশই উদ্যোক্তাদের মুনাফা থেকে সমন্বয় করতে হয়েছে। এ কারণে গত তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার তথ্যও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

সামনে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি মুনাফা নয়, টিকে থাকা

বাংলাদেশের পোশাকশিল্প এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে বাংলাদেশি পোশাকের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু দাম বাড়িয়ে সেই খরচ ক্রেতার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগও সীমিত। ফলে গ্যাস সংকট দীর্ঘ হলে তিনটি বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে—উৎপাদন কমবে, নতুন ক্রয়াদেশ কমবে এবং মুনাফা আরও সংকুচিত হবে।

বড় কারখানাগুলো হয়তো কিছু দিন ডিজেল ব্যবহার করে টিকে থাকতে পারবে। কিন্তু ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোর জন্য এই বাড়তি ব্যয় বহন করা কঠিন। ফলে তাদের অনেকেই উৎপাদন কমাতে কিংবা কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে। এতে শুধু রফতানি আয় নয়, কর্মসংস্থান ও স্থানীয় শিল্পের সরবরাহ ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রফতানি বাড়ানোর আগে মুনাফা ধরে রাখা জরুরি

চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট দুই মাসে মোট পণ্য রফতানি হয়েছে ৯১৫ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে হয়েছিল ৮৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। অর্থাৎ দুই মাসে সামগ্রিক রফতানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

এই প্রবৃদ্ধি অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু রফতানি আয়ের পাশাপাশি দেখতে হবে— এই আয় করতে উদ্যোক্তাদের কত খরচ হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত কতটা অর্থ তাদের হাতে থাকছে। কারণ শুধু রফতানি বাড়লেই শিল্প শক্তিশালী হয় না। শিল্প টেকসই হয় তখনই, যখন উৎপাদন বাড়ে, নতুন বিনিয়োগ হয় এবং উদ্যোক্তারা যুক্তিসংগত মুনাফা করতে পারেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পোশাক খাতের মূল সংকট তাই শুধু রফতানি কমে যাওয়ার আশঙ্কা নয়—বরং রফতানি ধরে রাখতে গিয়ে মুনাফা হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে ডিজেল দিয়ে সাময়িকভাবে উৎপাদন চালানো সম্ভব হলেও দীর্ঘমেয়াদে তা টেকসই নয়। একইভাবে আকাশপথে পণ্য পাঠিয়ে কিছু ক্রয়াদেশ রক্ষা করা গেলেও তাতে মুনাফা ধরে রাখা কঠিন।

তাই এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো রফতানিমুখী শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ আগস্টের রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়তো বাংলাদেশের পোশাক খাতের শক্তির প্রমাণ। কিন্তু উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি সংকট এবং নতুন ক্রয়াদেশের পরিস্থিতি বলছে—এই প্রবৃদ্ধির নিচে মুনাফার জায়গাটি ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে।

আর মুনাফা কমতে থাকলে একসময় রফতানি বাড়লেও কারখানা বাড়বে না, নতুন বিনিয়োগ হবে না— বরং টিকে থাকাই হয়ে উঠবে পোশাক উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
পোশাকের অর্ডার ও উৎপাদন কমেছে: রফতানি বাড়লো কীভাবে  
তৈরি পোশাক রফতানি খাতের সমস্যা দ্রুত সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বিদেশি বিনিয়োগে প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ শুরু, অর্থনীতিতে নতুন মাইলফলক
সর্বশেষ খবর
এবার ‘ইগ নোবেল’ পুরস্কার জিতলো যেসব ভিন্নধর্মী গবেষণা
এবার ‘ইগ নোবেল’ পুরস্কার জিতলো যেসব ভিন্নধর্মী গবেষণা
বালিশ কত পুরনো হলে বদলাবেন? 
বালিশ কত পুরনো হলে বদলাবেন? 
বিশ্বের যে ১০ অদ্ভুত নিয়ম জানলে অবাক হবেন
বিশ্বের যে ১০ অদ্ভুত নিয়ম জানলে অবাক হবেন
অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিল দলে চমকের ইঙ্গিত
অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিল দলে চমকের ইঙ্গিত
সর্বাধিক পঠিত
বিমানবন্দরে দিলীপ তাহিলের কাছে শাহরুখকে মারার কারণ জানতে চাইলেন তরুণী
বিমানবন্দরে দিলীপ তাহিলের কাছে শাহরুখকে মারার কারণ জানতে চাইলেন তরুণী
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে ভিডিও, কলেজছাত্রকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে ভিডিও, কলেজছাত্রকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ
আর্জেন্টিনার হয়ে বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন মেসি?
আর্জেন্টিনার হয়ে বিদায়ী ম্যাচ খেলবেন মেসি?
পোশাকের অর্ডার ও উৎপাদন কমেছে: রফতানি বাড়লো কীভাবে  
পোশাকের অর্ডার ও উৎপাদন কমেছে: রফতানি বাড়লো কীভাবে  
জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমীন: জীবনের বিশেষ কোনও সংজ্ঞা নেই
জন্মদিনে সাবিনা ইয়াসমীন: জীবনের বিশেষ কোনও সংজ্ঞা নেই