উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর ব্রাজিল দল পুনর্গঠনে নেমেছেন কার্লো আনচেলত্তি। আপাতত অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিলের নতুন মিশন শুরু হতে যাচ্ছে। তিন ম্যাচের এই সূচিতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটিতে চমক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অপেক্ষাকৃত তরুণ ও নতুনদের প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইতালিয়ান কোচ।
কদিন আগেই নিজের পুরোনো ঠিকানা রিয়াল মাদ্রিদে সফর করেন কার্লো আনচেলত্তি। স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটিতে সফরের সময় অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ব্রাজিলের পরবর্তী স্কোয়াড নিয়ে কিছুটা আভাস দিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের পর প্রথম কোনো ম্যাচের জন্য আগামী বুধবার প্রথমবারের মতো নতুন দল ঘোষণা করতে যাচ্ছেন ব্রাজিল কোচ।
‘রিয়াল মাদ্রিদ টিভি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি জানান, নতুন বিশ্বকাপ চক্রের শুরুতেই ঠিক কোন ধরনের ফুটবলারদের তিনি পরখ করে দেখতে চান, সে বিষয়ে তার মনে স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি কয়েকজন ফুটবলারের দীর্ঘ মৌসুমের ক্লান্তির বিষয়টিও উল্লেখ করেন এই কোচ।
আনচেলত্তি বলেন, ‘একঝাঁক দুর্দান্ত ফুটবলারের একটা অধ্যায় শেষ হয়েছে, এখন নতুন এক প্রজন্মের পথচলা শুরু হওয়ার সময়। ২০৩০ বিশ্বকাপে একটি প্রতিশ্রুতিশীল ও মানসম্পন্ন দল নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা থেকে আমরা মূলত বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা তরুণ ব্রাজিলিয়ানদের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছি। ২০ বা ২১ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারদের মান সত্যিই অসাধারণ, আর সামনের প্রীতি ম্যাচগুলোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওদের আরও কাছ থেকে চিনে নিতে চাই।’
তরুণ ফুটবলারদের সুযোগ দেওয়ার এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত বিশ্বকাপে খেলা এন্দ্রিক ও রায়ানের মতো উদীয়মান তারকাদের আরও বেশি পরখ করে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন আনচেলত্তি। এই দুজনের পাশাপাশি চোটের কারণে বিশ্বকাপ মিস করা এস্তেভাওয়ের আবার ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে ফেরার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ভিটোর রেইস ও বেরালদোর মতো নতুন কিছু মুখকেও দেখা যেতে পারে জাতীয় দলে।
আগামী বুধবার ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়ে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করবেন কার্লো আনচেলত্তি। আগামী ২৫ ও ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। এরপর ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল।









