‘দামে বনিবনা না হওয়ায় অনেক তেল-গ্যাস কোম্পানি চলে গেছে’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৯ জুন ২০২২, ১৪:১১আপডেট : ০৯ জুন ২০২২, ১৫:৩৫

দামে বনিবনা না হওয়ায় অনেক বিদেশি তেল-গ্যাস কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন বাপেক্সের আন্তর্জাতিক কনসালটেন্ট এম ফরিদ উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি উইক অনুষ্ঠানের ‘ব্লু ইকোনমি’ সেশনে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু দামে বনিবনা না হওয়ায় চলে গেছে।’

২০১৪ সালে সমুদ্র থেকে আহরিত গ্যাস ক্রয়ের জন্য সরকারকে ছয় ডলারের প্রস্তাব দেয় আমেরিকান প্রতিষ্ঠান কনকোফিলিপস। এর বিপরীতে সরকার থেকে পাঁচ ডলারের প্রস্তাব দিলে ফেরত যায় কোম্পানিটি। বর্তমানে কাতার থেকে ১২ ডলারে এবং স্পট মার্কেট থেকে ৩৫ ডলারে এলএনজি আনা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালে সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। যদি ওই সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতো তবে আজকে আমরা কম দামে হয়তো গ্যাস পেতাম।’

২০১০ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত কনকোফিলিপস সমীক্ষা চালায় এবং অন্তত চারটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র খুঁজে পায়। কূপ খননের জন্য যে বিনিয়োগ দরকার ছিল, সেটি তারা করতে আগ্রহী ছিল এবং শর্ত ছিল যে যদি গ্যাস পাওয়া যায়, তাহলে সেই গ্যাস সরকারকে ছয় ডলার দরে কিনতে হবে।

তবে তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যে প্রোডাকশন শেয়ারিং এগ্রিমেন্ট করা হয়, সেটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। দামের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়, সংশোধনীতে তা আনা হয়েছে বলে জানান।

গভীর সমুদ্রে সমীক্ষা

৭০ দশক থেকে বঙ্গোপসাগরে সমীক্ষা চালিয়ে আসছে সরকার এবং অন্যান্য কোম্পানি। এখন পর্যন্ত কুতুবদিয়া ও সাঙ্গুতে গ্যাস পাওয়া গেছে। সে সময় কুতুবদিয়াতেই গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সেটি এখনও উত্তোলন করা হয়নি। এছাড়া ৮০-এর দশকে সাঙ্গুতে যে গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল, সেটি উত্তোলনের পরে শেষ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে অর্থাৎ ২০০ মিটারের বেশি পানি আছে এমন জায়গায় গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

বঙ্গোপসাগরে অনেক ব্লকে সমীক্ষা শেষ হয়েছে এবং সম্ভাবনা অনেক বেশি জানিয়ে তিনি বলেন, ‌সমুদ্র থেকে সম্পদ আহরণের যে প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগ দরকার; সেটি আমাদের নেই এবং এজন্য বিদেশি কোম্পানি আমাদের প্রয়োজন।

/এসএসজেড/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিদ্যুতের দাম কমাতে রিভিউ আবেদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের