দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে এবার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস। সংস্থাটি জানিয়েছে, মহেশখালীস্থ এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে কারিগরি ত্রুটির কারণে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে।
এর আগে একই দিনে চলমান গ্যাস সংকট নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে পেট্রোবাংলাও। সংস্থাটি জানায়, এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউর (এলএনজির ভাসমান টার্মিনাল) কারিগরি ত্রুটি মেরামতে দেশি-বিদেশি কারিগরি দল নিরলসভাবে কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব মেরামতকাজ শেষ করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
পেট্রোবাংলা আরও জানায়, এফএসআরইউর কারিগরি ত্রুটি মেরামতের কাজ শেষ হলেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে পরে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির কারণে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর।
এর আগে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী জানান, একটি এফএসআরইউতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। এ কারণেই সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে প্রতিদিন প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে প্রতিদিন সরবরাহ করা যায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

গ্যাস সংকট: দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা






