মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীরা আবাসন সংকটে

মাগুরা প্রতিনিধি
০২ মে ২০১৬, ০৬:১১আপডেট : ০২ মে ২০১৬, ০৬:২৭

মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিটিউট মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীরা তীব্র আবাসন সংকটে ভুগছে। প্রতিষ্ঠার ৮ বছর পার হলেও এখানে কোনও ছাত্রাবাস গড়ে উঠেনি। এই সুযোগে প্রতিষ্ঠানটির চারপাশে গড়ে উঠেছে জমজমাট মেস ব্যবসা। সেখানে ঠাঁই হচ্ছে না মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র শিক্ষার্থীদের।
২০০৮ সালে শহরের ইটখেলা এলাকায় মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এখানে ৩শ’ ছাত্রীসহ মোট ১৫০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
আরও পড়তে পারেন: বাফুফে নির্বাচন নিয়ে যা হলো এবার

মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ইমরান হোসেন জানান,‘আমার বাড়ি শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। সেখান থেকে প্রতিদিন এসে ক্লাস করা সম্ভব হয় না। পলিটেকনিকে কোনও ছাত্রাবাস না থাকায় বাধ্য হয়েই আমরা কয়েকজন সহপাঠী মিলে ইনস্টিটিউটের পাশেই একটি বাসাভাড়া নিয়ে থাকি। এই জন্য প্রতিমাসে গুনতে হয় ১৫০০ টাকা। এর সঙ্গে খাবার, খাতা, বই-পত্র,আনুষঙ্গিক খরচ তো রয়েছেই। সবকিছু মিলিয়ে আমার পড়াশোনার খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন বাবা-মা।’

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আরেক ছাত্র এবাদত হোসেন জানান,প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্রাবাস না থাকায় প্রতিষ্ঠানের চারপাশে মেসের রমরমা ব্যবসা গড়ে উঠেছে। শহরের মাঝখানে যে বাসা ভাড়া পাওয়া যায় চার হাজার টাকায় পলিটেকনিক এলাকায় তা ভাড়া দেওয়া হচ্ছে ৮ হাজার টাকায়। প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্রাবাস না থাকার কারণে মেস ব্যবসায়ীরা ছাত্র ছাত্রীদের শোষণের সুযোগ পাচ্ছেন।’

 অােরও পড়তে পারেন: অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি

পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের ছাত্রী চৈতী রাণী সাহা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে প্রায় ৩শ’ ছাত্রী রয়েছেন। ছাত্রী নিবাস না থাকায় মেসে  থাকতে হয়। এতে করে আমাদেরকে মেস ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বেশির ভাগ মেসের পরিবেশই নারী বান্ধব নয়। মেসে থাকাকালে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি। 

মাগুরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মোতাহার হোসেন স্বীকার করেন ছাত্রাবাস না থাকার কারণে ছাত্র ছাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। তিনি জানান, আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবারই আবেদন করেছি ছাত্রাবাসের জন্য। তবে ছাত্রদের জন্য না হলেও ছাত্রীদের জন্য একটি নিবাস স্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। 

/এমএসএম /

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম