বরিশাল নগরীর পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গতিবিধিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ স্কুলের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন।
বরিশাল মহানগর পুলিশের কমিশনার এসএম রুহুল আমীন জানান, পিস স্কুলের বিষয়ে হেড কোয়ার্টার থেকে নির্দেশনা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে রয়েছে। এর সঙ্গে কারা জড়িত সেই ব্যাপারেও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। কোনও ধরনের নেতিবাচক দিক প্রমাণিত হলে সঙ্গে-সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে জামায়াত ও ড. জাকির নায়েকপ্রীতির অভিযোগে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি টিআইবির বোর্ড অব ট্রাস্টির বরিশালের সদস্য এবং সচেতন নাগরিক কমিটির বরিশাল শাখার সাবেক সভাপতি। গত ১৬ জুলাই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সম্প্রতি পিস স্কুল নিয়ে দেশব্যাপী নানা গুঞ্জন চলছে। কিছুটা বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছে। তাই বিতর্ক এড়াতেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তবে পিস স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাউসারুল ইসলাম নাহিদের দাবি, শারীরিক অসুস্থতার কারণে অধ্যক্ষের পদ থেকে অব্যহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন অধ্যাপক মোয়াজ্জেম। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
তিনি আরও জানান, পিস স্কুলে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২৭০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও আরবি এই চার বিষয়ে সমান গুরুত্বের সঙ্গে শিক্ষা দেওয়া হয়। পিস টিভির সঙ্গে পিস স্কুলের কোনও সম্পর্ক নেই।
তবে স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা জানায়, বাসায় অবসর সময়ে পিস টিভি দেখার জন্য শিক্ষকরা ক্লাসে বলতো। জাকির নায়েকের বক্তব্য শুনতে উৎসাহ দেওয়া হতো। তাই শিক্ষার্থীরা জাকির নায়েকের বক্তব্য শুনতেন। জাকির নায়েক তাদের পছন্দের ব্যক্তি।
/এনএস/এমএনএইচ/







