বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা ছাত্রদল ও শ্রমিকদলের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা ও জনস্বার্থ বিঘ্নতের অভিযোগ তুলে মামলা করেছে পুলিশ। এতে আসামি করা হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকসহ ৩৫/৪০ জনকে।
এ ঘটনায় বিএনপি নেতারা বলেন, পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করলেও উল্টো বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার ঘটনা হাস্যকর ও উদ্দেশ্য প্রণেদিত।
বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এস আই আবু তালেব মামলাটি দায়ের করেন। শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত রশো, ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ জনি, কাউসার রায়হান ও হাবিবুর রহমানকে আদালতে পাঠালে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বদরুজ্জামান খান খসরু, মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, নগর বিএনপির সহ সভাপতি সুরুজ্জামান, বিএনপি নেতা নুরুল হক চৌধুরী দিপু, আবদুল হামিদ খান ভাষানী সহ ২৩ আসামির নামসহ অজ্ঞাত ৩৫/৪০ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সকাল ১০টায় শহরের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সোয়া ১০টায় মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রাশিদুর রহমান রশোর নেতৃত্বে একটি মিছিল ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসলে বিএনপি কার্যালয়ের বিপরীতে বঙ্গবন্ধু সড়কে পুলিশ বাধা দেয়। এদিকে পরে মহানগর শ্রমিকদলের একটি মিছিলেও অনুরূপ বাধা দিতে দেখা যায় পুলিশদের। পুলিশ লাঠিচার্জ করে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। আহত হয় অন্তত ১০ জন। পুলিশ এ সময় ৪ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবেউনকে জানান, ‘জনস্বার্থ বিঘ্নিত ও রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করা হয়।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘আমাদের লোকজন পুলিশের সঙ্গে কোনও ধরনের বাকবিতন্ডা করেনি। অথচ পুলিশ আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা ঠুকে দিল। এর কারণ নারায়ণগঞ্জে যাতে বিএনপি দাঁড়াতে না পারে।’
/এসএনএইচ/






