ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় বজরাপুর এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটিতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা প্রবেশ করেছেন। রবিবার (৭ মে) বিকাল ৫টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাদের ওই আস্তানায় প্রবেশ করতে দেখা যায়। এরপর রাত ৮টার দিকে আস্তানার ভেতর থেকে একটি বোমা বিস্ফোরণ ও তিন রাউন্ড গুলির শব্দ পাওয়া গেছে। এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকেও একটি বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।
এদিকে, আস্তানায় অভিযানের কারণে ঘটনাস্থলের আশপাশে কাউকে না থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, দুপুরের দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা রওনা দিয়েছেন। তারা বজরাপুর এলাকায় পৌঁছানোর পর আস্তানায় সর্বাত্মক অভিযান চালানো হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার (৬ মে) রাত থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বজরাপুরের এই বাড়ি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট রবিবার (৭ মে) ভোর থেকে বাড়িটিতে অভিযান চালায়। মহেশপুর থানার ওসি আহমেদ কবিরসহ কয়েকজন ওই আস্তানায় ঢুকলে সুইসাইডাল ভেস্ট পরা এক জঙ্গি তাকে জাপটে ধরে। ওই সময় জঙ্গিকে লাথি মেরে সরিয়ে বের হয়ে আসেন ওসি। এরপরই গোলাগুলি শুরু হয়। এসময় এক জঙ্গি আত্মঘাতী হয় এবং আরেক জঙ্গি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সেও মারা যায়। জঙ্গিদের ঘটানো বিস্ফোরণে সিটিটিসির এক কর্মকর্তাসহ পুলিশের তিন কর্মকর্তা আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই বাড়ির মালিক জহুরুল ইসলাম, তার ছেলে জসিম, ভাড়াটিয়া আলমগীর হোসেন ও তাদের প্রতিবেশী আতিয়ারকে গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন-
ঝিনাইদহে জঙ্গি আস্তানায় দুই জঙ্গি নিহত
জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে আহত ৩ পুলিশ কর্মকর্তা
জঙ্গি শামীম মহেশপুর আস্তানার খবর দেয়: মনিরুল
মহেশপুরে জঙ্গি আস্তানা: বাড়ির মালিকসহ গ্রেফতার ৪
/এমএ/টিআর/








