নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল আটক করায় যশোর ট্রাফিক পুলিশ অফিসে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিন ট্রাফিক কনস্টেবল আহত হয়েছেন। বুধবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মুহম্মদ ফজলুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে শহরের মণিহার এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক মেজবাহউদ্দিন সুমনসহ তিনজন একটি নতুন মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এসময় ওই এলাকায় কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট মুস্তাফিজ তাদের কাছে মোটরসাইকেলের নিবন্ধনসহ অন্যান্য কাগজপত্র দেখতে চান। কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের মোটরসাইকেল আটক করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনার পর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সুমন ও ছাত্রলীগের এমএম কলেজ শাখার সভাপতি রওশন ইকবাল শাহীর নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল ট্রাফিক অফিসে হামলা চালায়। ওইসময় তারা কনস্টেবল ইকলাসুর রহমান, নূরুল ইসলাম এবং মফিজুর রহমানকে মারধর করেন। একইসঙ্গে তারা অফিসের একটি টেলিফোন সেট এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তছনছ করেন।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেজবাহউদ্দিন সুমন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। অন্য একটি মোটরসাইকেল আটকের ঘটনায় ছাত্রলীগের কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ অফিসে গেলে সেখানে কর্তব্যরতরা তাদের মা-বাবা তুলে গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় যুবকরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরও গালিগালাজ করে চলে আসে। তারা মারধর বা হামলা করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে সুমনকে পুলিশ অফিসে ডেকে নিয়ে যায়। কিন্তু এখন শুনছি, তাকে আটক করা হয়েছে।’
পরিদর্শক মুহম্মদ ফজলুল করিম বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সুমনকে আটক করে কোতোয়ালী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।’ মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
/এমএ/







