মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের কৃষক আফাজ উদ্দিনের বাড়িতে পাওয়া গেছে ১৯টি গোখরা সাপের বাচ্চা। তবে মা সাপটিকে পাওয়া যায়নি এখনও। এতে আতঙ্কে রয়েছে ওই কৃষকের পরিবারটি। আর উদ্ধার করা সাপের বাচ্চাগুলোকে মেরে ফেলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
শ্রীমুখ ধানকোড়া গ্রামের কৃষক আফাজ উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুপুরে আমার ছেলে রুবেলের ঘর থেকে ছোট একটি গোখরা সাপের বাচ্চাকে বের হতে দেখি। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ওই সাপটিকে মেরে ফেলি।’
আফাজ উদ্দিন জানান, এরপর তার কাঁচা ঘরের টিনের নিচের অংশের দক্ষিণ পাশে একটি ইঁদুরের গর্ত দেখতে পান। সেই গর্তে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে আরও সাপের বাচ্চার উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা ওই গর্তের মধ্যে থাকা ১৪টি সাপের বাচ্চাকে লাঠির আঘাতে মেরে ফেলেন।
এর আগে সোমবার বিকালেও বাড়ির আঙ্গিনায় পাওয়া চারটি গোখরা সাপের বাচ্চা মারা হয় বলে জানান আফাজ। সকাল থেকেই বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও সাপ মারার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বাড়ি থেকে মানুষ এসে ভিড় জমান আফাজের বাড়িতে। প্রতিবেশীরা জানান, একটি বাড়ি থেকেই এত পরিমাণ সাপের বাচ্চা খুঁজে পাওয়ায় তারা নিজেরাও সাপ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
এদিকে, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার লুৎফর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাপে কাটা রোগীদের জন্যে সরকারি হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম নামের প্রতিষেধক ইনজেকশন রয়েছে। তাই কাউকে সাপে কাটলে আতঙ্কিত না হয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। সাপে কাটার পর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।’
আরও পড়ুন-
এবার রাজবাড়ীতে বসতঘরে মিললো ৬টি গোখরা
/টিআর/







