সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাস ভাঙচুর মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে শাহপরাণ থানা পুলিশ। এতে এজাহার নামীয় আসামিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার এস আই জয়ন্ত কুমার এ তথ্য জানান।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘গত ২৩ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তবে আদালতে এখনও অভিযোগপত্র গৃহীত হয়নি।’
শাহপরাণ থানার ওসি আক্তার হোসেন অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ তদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগপত্রে মামলার এজহার নামীয় আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধান আসামিসহ অন্যান্য আসামিদেরকে কেনও গ্রেফতার করা হচ্ছে না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু আসামিদেরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’
সিলেট সদর থানা জিআরও নিহার রঞ্জন বলেন, ‘গত (৩০ জুলাই) এমসি কলেজ ছাত্রবাস ভাংচুরের মামলায় অভিযোগপত্র আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনও অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হয়নি। আগামী (৬ আগস্ট) অভিযোগপত্রের ওপর আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টিলগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের টিটু চৌধুরীর অনুসারীরা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এ হামলার ঘটনা ঘটায়। এরপর এ ঘটনায় শাহপরাণ থানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে মামলা না করে সাধারণ ডায়রি করেন। এরপর আদালতের নির্দেশে রোববার (১৬ জুলাই) থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র চন্দ। মামলায় টিটু চৌধুরীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।
এজাহার নামীয় মামলার আসামিরা হলেন— টিটু চৌধুরী, রবিউল আলম, শিহাব, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার জাওয়ার আবদুল মান্নানের ছেলে কাউসার, তাহিরপুর উপজেলার রতনশ্রী গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে শাওন, সুনামগঞ্জ সদরের অচিন্ত্যপুর এলাকার ইলিয়াস মিয়ার ছেলে রাফিজুল ইসলাম, জগন্নাথপুর উপজেলার কাজীপুর গ্রামের অরবিন্দ চৌধুরীর ছেলে নিউটন চৌধুরী, তাহিরপুর উপজেলার কালিজুড়ি রামনগর এলাকার আব্দুল হাসিমের ছেলে সোহাগ মিয়া ও মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ গ্রামের সুভাষ আচার্য্যের ছেলে সৌরভ আচার্য্য।
আরও পড়ুন
এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
এমসি কলেজের ছাত্রাবাস ভাঙচুরের ঘটনায় সাক্ষ্য গ্রহণ বৃহস্পতিবার
/এসএমএ/







