ফেনীতে কোরবানির পশুর হাট শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে। ঈদের একদিন আগে এমন বেচাকেনায় বিক্রেতাদের মনে স্বস্তি ফিরেছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও ব্যাপারিরা দাম বেশি হাঁকাচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতারা।
বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিকালে দাগনভূঞা পৌর শহর, সোনাগাজী পৌর শহরের ছাবের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কুঠিরহাট, ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও আমজাদহাট বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, হাটে গরুর আমদানি পর্যাপ্ত। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারিরা হাটে গরু নিয়ে এসেছেন। এসব হাটে দেশীয় গরুর আমদানিই বেশি। গত কয়েকদিন ধরে মন্দা গেলেও বৃস্পতিবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিক্রি হয়েছে গরু-ছাগল। শুক্রবার শেষ দিনে পশুর বিক্রি আরও বলে ধারণা করছেন বিক্রেতারা।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট আকারের গরু ৩৫ থেকে ৫০ হাজার, মাঝারি ৫০ থেকে ৭০ হাজার ও বড় আকারের গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। তবে হাটে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই বেশি।
সোনাগাজী পৌর যুবলীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন জানান, তিনি তার খামার থেকে পাঁচটি গরু হাটে এনেছেন বিক্রির জন্য। প্রতিটি গরুর দাম তিনি হাঁকছেন দেড় থেকে তিন লাখ টাকা।
সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর মকসুদুর রহমান জানান, তিনি এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন।
ব্যাপারিরা জানান, বিক্রি কিছুটা বাড়লেও অনেক ক্রেতাই এখনও দরদাম করে চলেছেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু করে শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুরোদমে বিক্রি চলবে আশা করছেন তারা।
আরও পড়ুন-
হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০, টেটাবিদ্ধদের অবস্থা আশঙ্কাজনক
মধ্যরাতে রূপগঞ্জের ‘কুমিল্লা হাউজে’ বিস্ফোরণ, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘেরাও








