পুলিশের গোপনীয় শাখায় কর্মরত কনস্টেবল শিলু মিয়াকে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার মামলায় বগুড়া জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর ইব্রাহিম হোসেন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকালে শহরের সেউজগাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসলাম আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় পুলিশ হেড কোয়ার্টারের কর্মরত কনস্টেবল শিলু মিয়া গত ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় বগুড়া সদর থানায় ইব্রাহিম হোসেনসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে শহরের পালপাড়ার মো. বাঁধন (১৯), রেলওয়ে কলোনির মোমিনুল ইসলাম বারী (৩৫) ও মোহাম্মদ জনিকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।
বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, তিনি বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় বাসিন্দা ও ঢাকায় পুলিশ হেড কোয়ার্টারে গোপনীয় শাখায় কর্মরত। গত ১১ নভেম্বর ঢাকায় কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য তিনি বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনে আসেন। ট্রেন আসতে দেরি হবে এমন খবরে তিনি (শিলু) এক বন্ধুর সঙ্গে শহরের সেউজগাড়ির পালপাড়ায় একটি বাসায় যান। এ সময় বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্রমিক লীগ নেতা ইব্রাহিম হোসেনসহ কয়েকজন ওই বাসায় গিয়ে তার বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ তোলেন। তখন শিলু মিয়া নিজেকে পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতিবাদ জানান। এরপরও তাকে মারধর করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
বগুড়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসলাম আলী জানান, এ মামলায় শনিবার বিকাল ৪টার দিকে শহরের সেউজগাড়ি এলাকা থেকে কাউন্সিলর ইব্রাহিম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।







