রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘রাজশাহীতে বোমা হামলার একটি ঘটনা ছাড়া অন্য কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আর বোমা হামলার ঘটনাটি বিএনপি নিজেরাই করেছে, এটির প্রমাণ ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পেয়েছে। রাজশাহীতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমন কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি যে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তারপরও নির্বাচন কমিশন যদি প্রয়োজন মনে করেন, সেটি তাদের এখতিয়ার। আমাদের বলার কিছু নাই।’
মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) সকালে প্রচার মিছিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লিটন এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সরকার, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি অপচেষ্টায় লিপ্ত। এটি ইতোমধ্যে প্রমাণিতও হয়েছে।’
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নৌকা প্রতীকের প্রচার মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মনিচত্বর গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর, খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র যথাক্রমে তালুকদার আব্দুল খালেক ও জাঙ্গাহীর আলম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এরপর নগরীর শ্রীরামপুর, সুইপার কলোনী, চন্ডীপুর ও ঘোষপাড়া, সিএন্ডবি মোড়সহ আশপাশের এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করে নৌকায় ভোট চান খায়রুজ্জামান লিটন।
মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর শ্রীরামপুর এলাকায় পথসভায় খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘বিএনপি অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি নাকি নদীর ধারের বসতি উচ্ছেদ করে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তুলবো। এটি বিএনপির মিথ্যাচার ও অপপ্রচার। কোনও অপপ্রচারের কান দিবেন না। কারণ আমি অতীতে কোনও বসতি উচ্ছেদ করে করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। বরং আপনাদের উন্নয়নে যা যা করা দরকার তাই করা হবে।’
লিটন আরও বলেন, ‘যে মেয়র ঈদের আগে সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়ান, তিনি নগরীর ৮ লাখ মানুষের কল্যাণ করবেন কীভাবে? যারা পারে ৯ দিনেই পারে, আর যারা পারে না ৯০ বছরেও পারে না। বিএনপির অযোগ্য মেয়রের কারণে গত ৫ বছর রাজশাহী পিছিয়ে গেছে। আমরা আর পিছিয়ে যেতে চাই না।’
আরও পড়ুন- নেতাকর্মীদের নির্ভয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর পরামর্শ বুলবুলের








